,

‘এবারের ঈদে খুশি নাই বাপ’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

‘এবার ঈদে খুশি নাই বাপ, বানের পানিতে সব ভাইসা গেছে! ভাবছিলাম প্রতিবারের মতো এবারেরও সবজি বিক্রি কইরা কোরবানি দিমু, কিন্তু সেই আশা পূর্ণ হলো না। বন্যার পানিতে আমার সব আশা যেন কোরবানি হইয়া গেল, ৪৮ শতক সবজি বাগানের একটা সবজির গাছও বাঁচে নাই।’

মরে যাওয়া সবজি বাগানের শুকনো ডাল-পাতা মাচা থেকে নামাতে নামাতে এসব বলেন- নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নের জালিরচর গ্রামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবজি চাষি উমর আলী।

জানা যায়, উমর আলী নিজের ৪৮ শতক জমিতে সবজি বাগান করেছিলেন। এ দিয়েই তার সংসার চলে। তবে সাম্প্রতিক বন্যায় পুরো ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন তার মাথায় হাত।

আমার সংবাদকে তিনি জানান, বন্যায় তার সবজি ক্ষেত নষ্ট না হলে এই সবজি থেকেই তার এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা আয় হতো। সেই আয় থেকে বঞ্চিত হওয়ায় উমর আলীর চোখে মুখে এখন হতাশার ছাপ।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করলে পূনরায় সবজি চাষাবাদ করে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আমার সংবাদ’র কাছে আশা ব্যক্ত করেন এই সবজি চাষি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক কচাকাটা বাজার শাখার ব্যবস্থাক মোস্তাফিজুর রহমান জিন্নাহ বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামসুজ্জামান সবজি চাষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম আলু, পালংশাক, ধনিয়াপাতা চাষ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুম শেষে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

}