,

যে কারণে বিএনপি ছাড়লেন মাহবুবুর রহমান

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোর্শেদ খানের পর এবার পদত্যাগ করলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান।সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রাজনীতি থেকেই স্থায়ীভাবে অবসর নিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির কয়েকজন নেতা পদত্যাগ করলেও জেনারেল মাহবুবই প্রথম নেতা যিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটি থেকে সরে দাঁড়ালেন। আরো কিছু নেতা বিএনপি থেকে পদত্যাগ করতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

বয়সের ভারে ন্যুব্জ মাহবুবুর রহমান মাস দেড়েক আগে লিখিতভাবে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরই জেরে তিনি দলের স্থায়ী কমিটির পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

তবে জেনারেল মাহবুবের স্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় বোন নাগিনা রহমান জানান, তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেননি।বার্ধক্যজনিত কারণে মাহবুবুর রহমান দলের কোনো কর্মসূচিতে নিয়মিত ছিলেন না। দলের নীতিনির্ধারণী বৈঠকেও তিনি অনুপস্থিত থাকতেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগেই তিনি রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। সে কারণে তিনি দলীয় মনোনয়নও চাননি।

গণমাধ্যমকে মাহবুবুর রহমান বলেন, তার এখন বয়স হয়েছে। একটা সময় তো অবসরে যেতে হয়। তার জন্য তিনি রাজনীতিকে ‘গুডবাই’ জানিয়েছেন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।

কী কারণে অবসর, এমন প্রশ্নের জবাবে লে. জে. (অব.) মাহবুব বলেন, কারণ হচ্ছে আমি বয়স্ক মানুষ। সামনের ডিসেম্বরে ৮০ বছর পূর্ণ হবে। রাজনীতিতে কনট্রিবিউট করার মতো আমার কিছু নেই।

সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন মাহবুবুর রহমান। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে দিনাজপুর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

নভেম্বর ২০১৯
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« অক্টোবর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
}