,

শীতে বিপন্ন জনজীবন, ঠাণ্ডায় কাঁপছে বাংলাদেশ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বাংলাদেশ প্রায়ই জেলায় আজও দেখা নেই সূর্যের। এতে বিপন্ন জনজীবন। বিশেষ করে উত্তরের জেলাগুলোতে তীব্র কুয়াশায় পথ চলতে বিপাকে পড়ছেন পরিবহন চালকরা। দিনেও হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল করছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া উত্তরের অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে শরীরে উত্তাপ নিচ্ছেন। সেখানকার মানুষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

শুধু উত্তর নয় ঠাণ্ডায় কাঁপছে পশ্চিমাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা। তীব্র ঠাণ্ডা ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত।

ঠিক এমন সময় শৈত্যপ্রবাহ আরও পাঁচ-ছয় দিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, বছরের শুরুর শৈত্যপ্রবাহ কেটে গিয়েছিল। মাঝখানে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। রোববার রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। চলমান শৈত্যপ্রবাহটি একেক সময় একেক স্থানে বেশি বিস্তার লাভ করতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ঈশ্বরদীতে, ১০ দশমিক ০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে, ২৫ দশমিক ০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে মৃদু বায়ুপ্রবাহ থাকায় শীত অনুভূত হয় বেশি। এছাড়া শৈত্যপ্রবাহে কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু-বৃদ্ধরা।

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে।

এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিকে এবং জানুয়ারির শুরুতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে দুই দফা মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জানুয়ারি ২০২০
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ডিসেম্বর    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
}