বুধবার ৭ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ইহুদিদের ফিলিস্তিন আগ্রাসনের ইতিহাস

মুফতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল :

মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের পর মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে গেলেও তাদের ওপর মক্কার কুরাইশরা যে অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছিল, তা সহজে বিস্মৃত হওয়ার মতো ছিল না। এ জন্য হুজুর (সা.) দারুণভাবে মর্মাহত ছিলেন। তা ছাড়া মদিনায় ইহুদিদের উপস্থিতিও কম বিপজ্জনক ছিল না। মদিনায় তখন তিনটি প্রধান ইহুদি গোত্র বসবাস করত। হুজুর (সা.) ইসলাম ও মুসলমানদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে ইহুদিদের সাথে একটি রাজনৈতিক শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেন। এই চুক্তিতে তিনটি ইহুদি গোত্র- বনি নজির, বনি কোরাইজা এবং বনি কায়নুকা সবারই স্বাক্ষর ছিল। এটি ‘মিছাকে মদিনা’ বা মদিনার সনদ নামে খ্যাত। মোট ৫২ দফা সংবলিত এই চুক্তির এক উল্লেখযোগ্য অংশ ইহুদিদের অধিকার সংক্রান্ত ছিল।

চুক্তি অনুযায়ী স্থির হয়, চুক্তিভুক্ত সব পক্ষই তাদের নিজ নিজ মহল্লার শান্তি-নিরাপত্তার জন্য দায়ী থাকবে। যুদ্ধ এবং সন্ধি উভয় অবস্থায় ঐক্য ও সংহতি অক্ষুন্ন  রাখা হবে। বিবাদ-বিশৃঙ্খলাকারীদের কঠোর হাতে দমন করা হবে এবং কোনো বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে রাসুলের (সা.) সিদ্ধান্ত সবাইকে মেনে নিতে হবে। ইহুদিদের স্বার্থ ও অধিকার সংক্রান্ত ধারাগুলোতে বলা হয়- তাদেরকে পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা দেয়া হবে এবং তারা অঙ্গীকার করে, আক্রান্ত অবস্থায় ইহুদিরা মুসলমানদের সাহায্য করতে বাধ্য থাকবে। বিপক্ষের সাথে সন্ধি করার সময় তারা মুসলমানদের সঙ্গে থাকবে এবং কুরাইশদের কোনো প্রকার নিরাপত্তা প্রদান করবে না। ধারাসমূহে এ ধরনের আরো বহু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

‘সিরাতে ইবনে হিশাম’-এ বর্ণিত হয়েছে, ইহুদি গোত্র ‘বনি কায়নুকা’র সাথে সন্ধি করার সময় রাসূল (সা.) তাদের শপথ প্রদানের মাধ্যমে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘তাওরাতে কি আমার সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী নেই? যদি তোমরা শপথ করে বলো যে, ‘নেই’ তাহলে তোমাদের এ ব্যাপারে দোষারোপ করা হবে না।’ সে যাই হোক, বনি কায়নুকার ইহুদিরা সম্পাদিত চুক্তিতে স্থির থাকতে পারেনি। তারা অচিরেই চুক্তি ভঙ্গ করে। যার প্রতিক্রিয়াস্বরূপ কিছু খুনাখুনি হয়। পরিণতিতে মুসলমানরা তাদের মহল্লা ঘেরাও করে ফেলেন এবং ১৫ দিন পর তারা শর্তহীনভাবে বশ্যতা স্বীকার করলে রাসুল (সা.) তাদের তিন দিনের মধ্যে নিরাপদে মদিনা ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি দেন। তবে তাদের অস্ত্রশস্ত্র আটক করে রাখা হয়। কথিত আছে, ইহুদিরা শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনে গিয়ে বসতি স্থাপন করে। বিতাড়িত ইহুদিদের সংখ্যা সাতশ ছিল বলে একটি বর্ণনা থেকে জানা যায়। হিজরি দ্বিতীয় সালের ১৫/১৬ শাওয়াল বনি কায়নুকার ইহুদিদের অবরোধ করা হয়। অত:পর মদিনা থেকে বিতাড়িত করা হয়। এটাই ছিল তাদের চুক্তি ভঙ্গের খেসারত।

ইহুদীদের দুশ্চরিত্রের কারণে কুচক্রী ইহুদীদের ষড়যন্ত্র থেকে দেশকে রক্ষা করার গরজে ইউরোপ যখন মধ্যযুগে ইহুদী বিতাড়ন শুরু করে তখন আরবগণ তাদেরকে আবার আশ্রয় দিতে শুরু করে। যার ফলে হেজাজ ছাড়া অন্যান্য আরব দেশে কিছু ইহুদীদের আবাস স্থাপিত হয়। অল্পদিনের মধ্যে ইহুদীরা অত্যাচার দ্বারা সারা আরব দেশ কাঁপিয়ে তোলে। তাদের অত্যাচার থেকে ইসলামী রাজ্যকে রক্ষা করার মানসে হযরত ওমরসহ প্রমুখ খলিফা হিজরী প্রথম শতাব্দীতেই তাদেরকে দ্রুত আরবদের সীমানা হতে সরিয়ে দেন। এটাই ইহুদীদের ফিলিস্তিনে তথা আরবের সীমা হতে শেষ বারের মত বিদায়।

হিংসা, বিদ্বেষ, কপটতা, কুটিলতা, হঠকারিতা, দাম্ভিকতা, অনমনীয়তা ও ষড়যন্ত্র ইহুদীদের জাতীয় বৈশিষ্ট। তাই এরা যখনই যে দেশে আশ্রয় নিয়েছে ইহুদীরা তাদের এ গুণাবলী দ্বারা তাদের আশ্রয় দেশকে নরকে পরিণত করার চেষ্টা করেছে। ইহুদীদের এ সকল ঘৃণিত আচরণের ফলে মধ্যযুগীয় ইউরোপ ইহুদী বিতাড়নে বদ্ধপরিকর হন। পরবর্তী ইউরোপও মধ্যযুগীয় ইউরোপকে অনুসরণ করায় ইহুদীরা ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, চেকোশ্লোভাকিয়া, হল্যান্ড, ইতালী, রাশিয়া থেকে বিতাড়িত হয়েছে। এরা চরম আঘাত পেয়েছে জার্মানীর হিটলারের পক্ষ থেকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানীতে বসবাসকারী ইহুদীরা জার্মানীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইংরেজদের সহযোগীতা করে। এই বিশ্বাসঘাতকতার কারণে হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময় ইহুদীদের উপর ব্যপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। ফলে ইহুদী চিন্তানায়কদের বুঝতে বাকি রইলনা যে তারা আর বেশিদিন ইউরোপে টিকে থাকতে পারবেনা। অতএব দ্রুত তাদের একটি স্বতন্ত্র আবাস ভূমি আবশ্যক। এই উদ্দেশ্যে ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দ হতে বর্তমান ইহুদীবাদ আন্দোলনের সৃষ্টি হয়।

অষ্ট্রেলিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জল ইহুদীবাদকে নতুন প্রেরণা দান করেন। তারই প্রচেষ্টায় ১৮৯৭ সালের আগস্ট মাসে সুইজারল্যান্ডের বেসেল-এ প্রথম ইহুদী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং আন্দোলনের একটি গঠনতন্ত্র রচিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৪২ সালে নিউইয়র্ক শহরে ইহুদী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং সমগ্র প্যালেস্টাইনে একটি ইহুদী রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব পেশ ও পাশ করা হয়। এ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ায় ইংরেজদের আনন্দের সীমা রইলনা। তাদের একসঙ্গে দুটি সুযোগ জুটে গেল। এতে একদিকে ইউরোপ হতে ইহুদী আপদ দূরীভূত হবে, অপরদিকে এদের সাহায্যে তুর্কি শক্তিকে ধ্বংস করে পশ্চিম এশিয়াকে ইউরোপের কুক্ষিগত রাখার সুযোগ হবে। আসল মতলবকে গোপন রাখার উদ্দেশ্যে ইংরেজগণ আফ্রিকার উপত্যকাকেই ইহুদী আবাসে পরিণত করার প্রস্তাব করেন। কিন্তু ১৯০৫ সালে জিওনিষ্ট কমপ্লেস এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় ফিলিস্তিনের প্রস্তাবকে তারা জীবিত করেন।

ইংরেজদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের সুযোগ ঘটে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে মিঃ লরেন্স ষড়যন্ত্র দ্বারা মক্কার গভর্নর শরীফ হোসাইন ও সমগ্র আরব জাতিকে তুর্কীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী করে তুলতে সক্ষম হন। শরীফ হোসাইন বৃটিশের নিকট আরবের স্বাধীনতাসংশ্লিষ্ট শর্তাবলী পেশ করেন। মিশরে নিযুক্ত বৃটিশ হাই কমিশনার আর্থার ম্যাকমোহন বৃটিশ পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ হতে শরীফের সঙ্গে ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে সমস্ত শর্ত মেনে নেন।

যুদ্ধ শেষে ইংরেজগণ আরবদের সাথে কৃত সমস্ত ওয়াদা ভঙ্গ করে আরবদেরকে গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ করবার ফন্দি আটতে লাগল। জাতিসংঘে এজন্যই ম্যান্ডেট প্রথা উদ্ভাবিত হল। ১৯১৯ সালের ২৮শে এপ্রিল ম্যান্ডেট আইন পাশ হলে সমগ্র আরব নিয়ে যেখানে একটি রাষ্ট্র গঠনের কথা ছিল সেখানে তাকে পাঁচভাগে বিভক্ত করা হল। যার পরিণতিতে ফিলিস্তিন ইংরেজদের কবলে আসল। তখন ইংরেজগণ ১৯১৭ সালের ২রা নভেম্বর তৎকালিন পররাষ্ট্র সচিব মিঃ বেলফোর কৃত ঘোষণাকে কার্যে পরিণত করতে লাগল। ইংরেজদের সাহায্যে চারদিক থেকে ইহুদী এসে ফিলিস্তিনে ভীড় জমাতে লাগল।১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ইহুদীরা চার লক্ষ একর জমি অর্থাৎ ফিলিস্তিনের মোট ভূমির অর্ধেকের বেশি দখল করে নিল।

১৯৪৫ সালে আরবলীগ গঠিত হলে ফিলিস্তিন সমস্যা আরবলীগের কর্মসূচীতে বিশেষ স্থান লাভ করে। ফিলিস্তিনের প্রতি সংঘবদ্ধ আরব রাষ্ট্রসমূহের মনোযোগ আকৃষ্ট হয়েছে দেখে ইংরেজগণ বিচলিত হয়ে পড়ে এবং ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান কল্পে ১৯৪৬ সালের প্রথম ভাগে এক ইঙ্গ মার্কিন কমিশন নিযুক্ত করে। ১৯৪৬ সালের ৩০ শে এপ্রিল উক্ত কমিটি ইহুদীদের পক্ষে ওকালতী করে এক রিপোর্ট পেশ করে। আরবগণ উক্ত রিপোর্টের সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করে জেহাদের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে।

১৯৪৭ সালের প্রথম ভাগে পুনরায় একজন বৃটিশ হাইকমিশনারের অধীনে ফিলিস্তিনকে আরব ইহুদী দুই প্রদেশে বিভক্ত করার প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু ১০ই ফেব্রুয়ারী দুই পক্ষই তা প্রত্যাখ্যান করে।

বৃটিশের এই শেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হবার পর বৃটিশ গভর্নমেন্ট এ বিষয়টিকে সম্মিলিত জাতীয় পরিষদে পেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। জাতীয় পরিষদ সমস্যার সমাধানের জন্য একটি কমিটি নিয়োগ করে। উক্ত কমিটি ফিলিস্তিনকে তিন ভাগে বিভক্ত করে কতক স্থান নিয়ে আরব রাষ্ট্র, বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান নিয়ে ইহুদী রাষ্ট্র গঠন এবং বায়তুল মুকাদ্দাস প্রভৃতি পবিত্র স্থানগুলো জাতীয় পরিষদের তত্বাবধানে থাকার প্রস্তাব করে। ১৯৪৭ সালের ২৯শে নভেম্বর জাতিপুঞ্জের সুপারিশ অনুযায়ী ফিলিস্তিন বিভাগের চুড়ান্ত ঘোষণা করে। কিন্তু আরব লীগ এ ঘোষণার বিরোধিতা করে। জাতিপুঞ্জ স্বীয় ঘোষণাকে কার্যকরী করার উদ্দেশ্যে একটি কমিটি ফিলিস্তিনে পাঠায়। কিন্তু কমিটি তাতে ব্যর্থ হয়। বৃটিশ ইহুদীদেরকে অস্ত্রশস্ত্র ও জনসংখ্যায় শক্তিশালী করে ১৯৪৮ সালের ১৫ই মে ফিলিস্তিন ত্যাগ করে। ঐ তারিখেই ইহুদীরা ইসরাইল রাষ্ট্র স্থাপনের ঘোষণা প্রচার করে। তেলআবিব উহাদের রাজধানী এবং ওয়াজমেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ইসরাইল ঘোষণার পরপরই আমেরিকা তাকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

এ ভাবেই অভিশপ্ত ইয়াহুদীরা ইসলামের শত্রুদের সাহায্য সহায়তায় মুসলিম জাহানের মধ্যে নিজেদের রাষ্ট্র পাকাপোক্ত করার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

সুদূর অতীতে তিন শতাব্দী ধরে একটি নয়, দুটি নয়, আটটি ক্রসেডের মাধ্যমে খ্রিষ্টানরা মুসলমানদের কাছ থেকে জেরুজালেম দখল করতে ব্যর্থ হয়েছিল ভাগ্যচক্রে সেই জেরুজালেম যখন তাদের দখলে এসেছে তখন কি তারা অতি সহজে শুধুমাত্র আলোচনা ও দাবীর কারণে তা মুসলমানদের কাছে ফিরিয়ে দেবে? না, দেবে না।

১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূমি দখলের মধ্য দিয়ে বিশ্বে ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়। আর সাথে সাথে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, গ্রেটব্রিটেন ও ফ্রান্স ইসরাইলকে স্বীকৃতি জানায়। এর ফলে নৃশংস ইহুদী জাতির মনোবল বেড়ে যায় এবং তারা ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরে নিরীহ মুসলমানদের ওপর নিষ্ঠুর অত্যাচার ও নিপীড়ন চালিয়ে প্রায় দশ লক্ষ মুসলমানকে তাদের মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত করে। যে কারণে বাধ্য হয়ে মিসর, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন ও জর্ডানকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে হয়। এতে ইহুদীদের মদদ দাতা দেশগুলো জাতিসংঘের মাধ্যমে যুদ্ধ বিরতি পাশ করায়ে ইহুদেরকে আসন্ন বিপদ থেকে রক্ষা করে।

পশ্চিমা দেশগুলো এত বিপুল পরিমান অর্থ ও অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে ইসরাইলকে সমৃদ্ধ করেছে যেন তার চারপাশে সমুদয় মুসলিম দেশ একত্রে সমবেতভাবে যুদ্ধে নামলেও তার সাথে এঁটে উঠতে না পারে। যার পরিণতিতে দেখা গেল যে, ১৯৬৭ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল মিসরের নিকট থেকে গাজা ও সিনাই মরুভুমি, সিরিয়ার গোলান মালভূমি এবং জর্ডানের পশ্চিম তীর জোরপূর্বক দখল করে নেয়।

সমপ্রতি প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রস্তাবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনীদের কাছে তা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছেন। এখানেই শেষ নয়, সমপ্রতি ফিলিস্তিনের দক্ষিণাঞ্চলীয় নেজেব মরুভূমি এলাকা থেকে ৫০ হাজার ফিলিস্তিনীকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা করেছে ইসরাইল। সুতরাং বিশ্ব মুসলিমরা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যহত না রাখলে ইসলামের প্রথম কেবলা এবং লক্ষ লক্ষ পয়গাম্বরের আগমনস্থল পবিত্র ভুমিকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

লেখক : প্রভাষক (আরবি), চাটখিল কামিল মাদরাসা, নোয়াখালী

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০২২
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« নভেম্বর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১