বুধবার ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

‘তারমিনাকে ভালোবাসতাম, কিন্তু বিয়ে ঠিক হলে মাথায় আগুন ধরে যায়’

আকাশবার্তা ডেস্ক : 

রংপুরের বদরগঞ্জে বিয়ের দিনে ছুরিকাঘাতে মাদরাসাছাত্রী তারমিনা আক্তার হত্যাকাণ্ডের কারণ জানিয়েছেন অভিযুক্ত শাখাওয়াত হোসেন (১৮)। ছুরি দিয়ে হালকাভাবে তার হাতে কোপ দিয়ে দুর্নাম রটিয়ে বিয়ে ভাঙাই ছিল তার মূল টার্গেট বলে তিনি আজ মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) পুলিশকে জানান। কিন্তু ঘটনার সময় ক্ষোভে তিনি উপর্যুপরি আঘাত করেন। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তারমিনা। মঙ্গলবার বিকেলে শাখাওয়াত হোসেনকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

২৮ জুলাই উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের সাজানো গ্রাম বিয়ের দিন সকালে তারমিনাকে ছুরিকাঘাত করেন শাখাওয়াত। পরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

২৯ জুলাই শাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে তারমিনার মামা নূর আলম মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলা হত্যা মামলায় পরিবর্তন করা হয়। সোমবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে পলাতক শাখাওয়াত হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তিনি মিঠাপুকুর উপজেলার বড়বালা এলাকার পশ্চিম বড়বালার মোনায়েম হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, তারমিনার দূর সম্পর্কের আত্মীয় শাখাওয়াত। তিনি বিভিন্ন সময় তারমিনাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তবে, বাবা-মা ২৮ জুলাই অন্যত্র তারমিনার বিয়ে ঠিক করেন। এর জেরেই ওইদিন সকাল তারমিনার বাড়িতে গিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করেন শাখাওয়াত।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাখাওয়াত বলেন, ‘আমি মনে প্রাণে তারমিনাকে ভালোবাসতাম। বিয়ে ঠিক হওয়ার কথা শুনে আমার মাথায় আগুন ধরে যায়। বিয়ে বানচাল করাই ছিল আমার মূল টার্গেট ছিল। এ কারণে হালকাভাবে তার হাতে ছুরি দিয়ে কোপ দেই। এতে হয়তো বর পক্ষ ভাববে আমার সঙ্গে তারমিনার প্রেম আছে। এ দুর্নাম রটলে বিয়ে ভাঙবে। কিন্তু কিভাবে তাকে একের পর কুপিয়েছি তা আর বলতে পারছি না।’

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, পুলিশের যৌথ অভিযানে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার জন্য তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০