বুধবার ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

‘জ্ঞানার্জন করতে এসে আর যেন জীবন বিসর্জন দিতে না হয়’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

‘বাবা বলে ছেলে নাম করবে, সারা পৃথিবী তাকে মনে রাখবে’,

এই গানের মতোই বরকত উল্লাহ একবুক স্বপ্ন নিয়ে ছেলে আবরারকে দেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পড়তে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কেউ জানে না আগামী দিনের ঠিকানা। কে জানতো জ্ঞানার্জন করতে এসে জীবন বিসর্জন দিতে হবে ছেলেকে।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে হঠাৎ নির্মমভাবে পিটিয়ে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে হত্যা করে।

দুই বছর পর মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় আজ। এরই মধ্যে ২২ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ রায়ে সব আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন।

তিনি বলেন, তাদের এমন শাস্তি হওয়া দরকার, একটি দৃষ্টান্তমূলক রায় হোক, যেন আর কোনোদিন কোনো কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞানার্জন করতে এসে জীবন বিসর্জন দিতে না হয়।

রোববার (২৮ নভেম্বর) সকালে পুরান ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ প্রাঙ্গণে এ কথা জানান তিনি।

বরকত উল্লাহ বলেন, এ মামলায় এখনো তিনজন পলাতক। শুনেছি তারা নাকি দেশের বাইরে চলে গেছে। তাদেরও গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে আসামিরা। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ।

ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এরপর গত বছর ১৫ সেপ্টেম্বর ২৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।

আসামিরা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার ওরফে অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্ত, আইন বিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহা, উপসমাজসেবা-বিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, গ্রন্থ ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক ইশতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, ছাত্রলীগ কর্মী মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মো. মুজাহিদুর রহমান, মো. মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, শামীম বিল্লাহ, মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম, এস এম মাহমুদ সেতু, মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল ওরফে জিসান, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ।

আসামিদের মধ্যে প্রথম ২২ জন কারাগারে আছেন। শেষের তিনজন পলাতক। আর ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১