মঙ্গলবার ৯ই জুন, ২০২৬ ইং ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

কোরবানিতে এবার পশুর দাম স্থিতিশীল থাকবে

আকাশবার্তা ডেস্ক :

রাজধানীর বিভিন্ন হাটে আসতে শুরু করেছে কোরবানির পশু। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাপারীরা কোরবানির পশু নিয়ে রাজধানী বিভিন্ন হাটে আসতে শুরু করেছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে যানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকবে। সাধারণত ওজনের ভিত্তিতে দাম ধরা হয়। সে হিসেবে এবার প্রতি মণ মাংসের দাম পড়বে ৩৫-৪০ হাজার টাকা। এছাড়া গো-খাদ্যের বাড়তি দাম প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে চোরাই পথে ভারতীয় গরু বাজারে প্রবেশ না করলে ন্যায্যমূল্যে দেশি গরু বিক্রি হবে বলেও আশা করছেন ব্যাপারীরা।

সিরাজগঞ্জ থেকে কমলাপুর গরুর হাটে ৬টি গরু নিয়ে এসেছেন বেপারি মো. মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, আমি ৩টি গরু লালনপালন করেছি, বাকি ৩টি স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা। এবার কোরবানির ঈদের আগে গরুর খাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে গরুর দাম কিছুটা বেশি।

আমার ৬টি গরুর মধ্যে ৩টি বড় আর ৩টি ছোট। বড় গরুর দাম আমি চেয়েছি ২ লাখ টাকা করে। এগুলোর একেকেটিতে পাঁচ থেকে ছয় মণ মাংস হবে। আর ছোট তিনটি গরু আমি চেয়েছি ১ লাখ টাকা করে। এগুলোর ওজন আড়াই থেকে তিন মণ হবে। বাজারে গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়, সে হিসেবে প্রতি মণ মাংস ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হবে।

যশোর থেকে ১২টি গরু নিয়ে এসেছেন বিক্রেতা তোতা মিয়া। তিনি বলেন, আমার গুরুর ওজন ছয় থেকে সাত মণ হবে। দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা হলে বিক্রি করব। এই দামে বেচলে আমার খুব একটা লাভ হবেনা।

তিনি আরো বলেন, ‘গোখাদ্যের দাম অনেক বেশি। এখন এক কেজি ছোলার দাম ১২০ টাকা, এক কেজি চালের কুড়ার দাম ৬০ টাকা। ৫৫ কেজির এক বস্তা চালের কুড়ার দাম পড়ে ৩ হাজার টাকার মতো। আর ১ কেজি খৈলের দাম পড়ে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। ফলে এবার কোরবানির গরুর দাম গতবারের তুলনায় মণে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা বাড়বে।’

ব্যাপারীরা বলছেন, ভারত থেকে চোরাই পথে গরু আসলে দেশের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ভারতীয় গরু দেশের বাজারে আসলে অন্যান্য গরুর দাম কমে যাবে। কারণ, ভারতে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দিয়ে গরু মোটাতাজা করা হয়। এসব গরু খুব কম সময়ে বড় হয়ে যায়, অনেক ধরনের রোগ জীবাণু থাকে। মাংসের স্বাদও হয় কম।

কুড়িগ্রাম থেকে ১৬টি গরু নিয়ে মেরাদিয়া হাটে এসেছেন নিমাই চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, গরুর খাবার ও অন্যান্য খরচ দুই থেকে তিনগুণ বেড়েছে। তাই এবছর গরুর দাম একটু বেশি। আমরা ভয়ে আছি ভারত থেকে যদি গরু দেশের বাজারে ঢোকে তাহলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলেছেন, মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম বৃদ্ধি পাওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষের আয় তো বাড়েনি।

শাহজাহানপুর হাটে ব্যাপারীদের গরু দেখতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী হালিম খান। তিনি বলেন, দাম বৃদ্ধির কারণে আমরা চিন্তায় আছি। সবকিছুর দাম বাড়লেও আমাদের আয় কিন্তু বাড়েনি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০