সর্বশেষ:
সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট

মিয়ানমারের ১ টনের বেশি ইয়াবা জব্দ মালয়েশিয়ায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :


মিয়ানমার থেকে মালয়েশিয়ার ক্লাং বন্দরে চালান করা ১ টনের বেশি (১ হাজার ১৮৭ কেজি) ইয়াবার সবচেয়ে বড় একটি চালান আটক করেছে মালয়েশিয়া  পুলিশ। যার বাজার মূল্য ১৮ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫২ কোটি ১৩ লাখ টাকা)। গতকাল সোমবার এই চালান আটক করা হয়। খবর চ্যানেল নিউজ এশিয়া। চায়ের প্যাকেটে করে এই ১ টনের বেশি ইয়াবা চালানের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয় মাদক-ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।মালয়েশিয়া শুল্ক বিভাগের পরিচালক সুব্রমানিয়াম থোলাসি বলেন, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে জাহাজে একটি কনটেইনারে এক হাজার ১৮৭ কেজি ইয়াবার চালান কুয়ালালামপুরের কাছে পোর্ট ক্লাং-এ এসে পৌঁছায়। মূল্য ও ওজন বিবেচনায় মালয়েশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মাদকের চালান আমরা জব্দ করেছি।

তিনি আরও বলেন, ইয়াবার চালানটি আসে খাদ্যদ্রব্য হিসেবে কুয়ালালামপুরের একটি ট্রেডিং কোম্পানির নামে।২২ মে এটি আটক করা হয়।এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মিয়ানমারের তিনজন এবং মালয়েশিয়ার তিনজন নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর সঙ্গে মিয়ানমারের বড় কোনও সিন্ডিকেট যুক্ত আছেন।

এছাড়া কিছুসংখ্যক হিরোইন ও ১০ লাখ কন্ট্রাব্যান্ড সিগারেটও উদ্ধার করা হয়েছে।উল্লেখ্য, মিয়ানমার অনেকদিন ধরেই আফিম ও হিরোইন উদ্ধার করে আসছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ইয়াবা উদ্ধার দেশও তারা। এশিয়াতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ইয়াবা সেবন ও ব্যবসা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৫ সাল থেকে এই প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে।জাতিসংঘের অপরাধ ও মাদক অধিদপ্তর ইয়াবাকে সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

টেকনাফ সীমান্তের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানা গেছে, পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের যুব সমাজকে ধ্বংস করতে মিয়ানমার সীমান্তে ৪০টি ইয়াবার কারখানা গড়ে তুলেছে মিয়ানমার। আর প্রতিদিন টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ির দুর্গম সীমান্তের ৩৮টি পয়েন্টে দিয়ে ঢুকছে ইয়াবার বড় বড় চালান। অথচ মিয়ানমারে কোনও বিস্তার নেই এই মাদকের।

এএইচ/আরটিভি অনলাইন

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

August 2026
S S M T W T F
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031