সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

মাঝপথে বিপত্তি, ফিরে এলো রাশিয়ার সয়ুজ রকেট

 বিবিসি বাংলা :


রাশিয়ার উৎক্ষেপন করা একটি সয়ুজ রকেটে ত্রুটি দেখা যাওয়ার পর এটির দুই নভোচারীকে বহনকারী ক্যাপসুলটি ফিরে এসেছে এবং নিরাপদে কাজাখাস্তানে অবতরণ করেছে।রুশ নভোচারী আলেক্সেই ওভচিনিন এবং মার্কিন নভোচারী নিক হেগ এই রকেটে করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে (আইএসএস) যাচ্ছিলেন। তারা দুজনেই ভালো এবং নিরাপদ আছেন বলে বলা হচ্ছে।

তাদের বহনকারী ক্যাপসুলটি কাজাখাস্তানের যে অঞ্চলে অবতরণ করেছে সেখানে তাদের খোঁজে তল্লাশি দল পাঠানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য তাদের বহনকারী রকেটটি উৎক্ষেপন করা হয় বৃহস্পতিবার ভোরে। এটি ছয় ঘন্টা পর আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে পৌঁছানোর কথা ছিল।

কিন্তু সয়ুজ রকেটের ‘বুস্টারে’ কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়ার পর এটিকে ‘ব্যালিস্টিক ডিসেন্ট মডে’ পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হয় বলে জানাচ্ছে নাসা। ‘ব্যালিস্টিক ডিসেন্ট মড’ মানে হচ্ছে সাধারণত যে কোনাকুনি পথে কোন রকেট পৃথিবীতে ফিরে আসে, তার চেয়ে অনেক খাড়া বা সোজা পথে এটিকে পৃথিবীতে অবতরণ করানো।

রুশ নভোচারী আলেক্সেই ওভচিনিন এবং মার্কিন নভোচারী নিক হেগ আগামী ছয় মাস আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে থাকবেন বলে কথা ছিল।রুশ নির্মিত সয়ুজ রকেটের ডিজাইন করা হয়েছে বহু দশক আগে। কিন্তু এটিকে এখনো বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ রকেটগুলোর একটি বলে মনে করা হয়।এই মূহুর্তে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে যাতায়তের জন্য এই সয়ুজ রকেটই একমাত্র ভরসা। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ যান কর্মসূচী শাটল বন্ধ করে দেয়া হয় অনেক বছর আগে।

যে কারিগরি ত্রুটির কারণে এই রকেটটি তার যাত্রা শেষ করতে পারলো না, তাকে মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘স্টেজিং।’ উপরে উঠতে থাকা রকেটের যে অংশগুলোর জ্বালানি এর মধ্যে শেষ হয়ে গেছে, সেই খালি অংশগুলোকে খসিয়ে দেয়ার নাম স্টেজিং।

বলা হচ্ছে এই স্টেজিং এর সময় রকেটে থাকা দুই নভোচারী আঁচ করতে পেরেছিলেন যে কোন একটা গোলমাল হয়েছে কারণ তারা ওজনহীনতায় ভুগছিলেন। ঐ সময় তাদের ওজনহীন থাকার কথা নয়, পরিবর্তে তারা বরং তাদের বসে থাকা আসনের দিকে একটা প্রবল টান অনুভব করার কথা।

এ ধরণের পরিস্থিতিতেই নভোচারীদের ‘এসকেপ সিস্টেম’ ব্যবহার করতে বলা হয়।দুই নভোচারীর পৃথিবীতে ফিরে আসার যাত্রা খুব স্বস্তিকর ছিল না বলেই মনে করা হচ্ছে। যেরকম খাড়া পথে তারা ফিরে আসেন, তাতে প্রচন্ড মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মোকাবেলা করতে হয়েছে তাদের।

২০১৬ সালে সয়ুজ রকেটে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ফিরে আসা এক নভোচারী টিম কোপরাকে অবতরণের পর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

রাশিয়ার রকেট কর্মসূচীর বর্তমান হাল নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তারা আগের বছরগুলোর মতো তাদের মহাকাশযানের মান বজায় রাখতে পারছে কীনা সে প্রশ্ন উঠছে।এই ঘটনার পর এ নিয়ে উদ্বেগ যে আরও বাড়বে সন্দেহ নেই। যুক্তরাষ্ট্র তার শাটল কর্মসূচী পরিত্যাগ করার পর এখন একটি নতুন রকেট সিস্টেম উদ্ভাবন করার চেষ্টা করছে। আগামী বছর এই নতুন রকেট উৎক্ষেপন করার কথা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930