সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

আকাশবার্তা ডেস্ক : 


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-১ আসনের (নবীগঞ্জ-বাহুবল) রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার (০৭ ডিসেম্বর) এমন ঘোষণা আসার পর রেজা কিবরিয়া সাংবাদিকদের জানান, তার ক্রেডিট কার্ডের ছয় হাজার টাকার একটি চার্জ ছিলো। সেটি সমাধান করা হয়েছে। এখন তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন উল্লেখ করে সবার কাছে দোয় চান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে রেজা বলেন, “আমি কমিশনের কাছে ন্যায় বিচার পেয়েছি। আশা করবো সবাই যেনো তা পান।”

সম্প্রতি ড. কামাল হোসেনের গণফোরামে যোগ দেন রেজা কিবরিয়া। এরপর ২৮ নভেম্বর গণফোরাম থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি।

যাচাই-বাছাইয়ের দিন ২ ডিসেম্বর রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন হবিগঞ্জের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ। কারণ হিসেবে বলা হয়, সিটি ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ডিভিশন এবং ঢাকা ব্যাংক থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

রেজা কিবরিয়ার বাবা শাহ এ এম এস কিবরিয়া ২০০১ সালে হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর-লাখাই) আসনের সাংসদ ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

ড. রেজা কিবরিয়া বিগত এক-এগারোর সময়ে সংস্কারপন্থি হিসেবে আওয়ামী লীগ থেকে ছিটকে পড়েন। ২০০৮ ও ২০১৪ সালের লবিং করেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে ব্যর্থ হন। রেজা কিবরিয়া বর্তমানে জাতিসংঘে কাজ করছেন এবং কম্বোডিয়া সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবেও কর্মরত আছেন।

তার বাবা শাহ এএমএস কিবরিয়া ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে এক জনসভায় গ্রেনেড হামলায় নিহত হন। এরপর ২০০৬ সালে রেজা কিবরিয়া আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান।

পরে সংস্কারপন্থি দলে চলে যাওয়ায় তার পরিবর্তে ২০০৮ সালে দেওয়ান ফরিদ গাজীকে এ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে ২০১০ সালে দেওয়ান ফরিদ গাজী মৃত্যুবরণ করলে উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় পার্টির এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু এ আসন থেকে নির্বাচিত হন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930