সর্বশেষ:

লকডাউন শিথিলে বেপরোয়া নগরবাসী

আকাশবার্তা ডেস্ক :

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণেও বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া বিভিন্ন বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে। খুলছে প্রতিষ্ঠান। পাড়া-মহল্লায় খুলছে দোকানপাট। বাড়ছে রাস্তায় মানুষের উপস্থিতি।

এদিকে লকডাউন শিথিলের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর সড়কে বেড়েছে যানবাহনের ব্যস্ততা। ব্যাংকের সামনে গ্রাহকের দীর্ঘ সারি। ভিআইপি সড়কসহ পুরো শহরেই রিকশার রাজত্ব।

এছাড়া ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যাও প্রতিদিন বাড়ছে। কোথাও কোথাও দেখা গেছে ট্রাফিক জ্যাম। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা নেই।

এদিকে মসজিদে নামাজ পড়ার অনুমতি মেলায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে মুসল্লি। তবে শুধু একটা জায়গায় শারীরিক দূরত্ব বজায় থাকতে দেখা গেছে, সেটি মসজিদে। যেখানে সরকারি বিধি নিষেধ মেনেই নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যতই দিন যাচ্ছে, ততই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এর মূল কারণ প্রশাসনের কড়াকড়ি অনেকটাই শিথিল হয়ে এসেছে। যেসব জায়গায় আগে থেকে তল্লাশি করা হতো, সেখানে কোনো তল্লাশি নেই।

ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার অন্যতম পথ উত্তরার আবদুল্লাহপুর ও যাত্রাবাড়ীর প্রধান সড়ক। দেশের উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের লোকজন এ দুটো পথ দিয়েই রাজধানীতে ঢোকে। দুই দিন আগেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত এখানে মনিটরিং করতেন। তবে সেই চিত্রও এখন বদলে গেছে।

তবে সড়কে দূরপাল্লার কোন গণপরিবহন নেই, কিন্তু অন্যান্য যানবাহনের সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় মানুষ বেপরোয়াভাবে রাজধানীতে ঢুকছে।

তাছাড়া ঢাকায় বেড়েছে সিএনজি-অটোরিকশার চলাচল। পাশাপাশি গণপরিবহন না থাকার সুযোগে মূল সড়ক দখল করে নিয়েছে রিকশা।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নগরীর মৌচাক, মগবাজার, নিউমার্কেট, দৈনিক বাংলা, শাহবাগ, মিটফোর্ড, কাওরান বাজার, পান্থপথ, রামপুরা, খিলগাঁও, বাড্ডাসহ সব এলাকার চিত্র একই।

এসব এলাকায় স্টেশনারি, হার্ডওয়্যার, কাপড়ের দোকান, ইলেকট্রনিকসের দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে বেচাবিক্রি শুরু হয়েছে। যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো তোয়াক্কাই করছে না ক্রেতা বা বিক্রেতার কেউই।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পরস্পরের মধ্যে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হলেও পুরো রাজধানীতে তা মানতে দেখা যায়নি কোন ক্রেতা বিক্রেতাকে। যার ফলে ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। তবে অধিকাংশ দোকানদারের দাবি, তারা পেটের দায়েই দোকান খুলেছেন। অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই তাদের এমন সিদ্ধান্ত।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930