বুধবার ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

রিজেন্ট মালিক সাহেদকে ধরতে র‍্যাবের অভিযান

আকাশবার্তা ডেস্ক :

স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে দুর্নীতি করার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. সাহেদকে ধরতে একাধিক অভিযান চালিয়েছে র‍্যাব। তবে এখনও তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। শিগগির সাহেদকে আটক করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লে. কর্নেল সারোয়ার বিন-কাশেম।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে র‍্যাব সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান সারওয়ার বিন কাশেম।

তিনি বলেন, গতকাল রিজেন্ট হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার নামে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগে সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়েছে।

এরই মধ্যে পলাতক সাহেদকে ধরতে র‌্যাবের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে। তিনি যাতে কোনো অবস্থায় দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন সেজন্য নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম তার সাহেদ করিম। পরিচয় দিতেন মো. সাহেদ নামে। বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অপকর্ম করে থানা পুলিশ এবং জেলও খেটেছেন তিনি। এভাবেই টাকার পাহাড়ও গড়েছেন।

র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান বলেন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সঙ্গে ছবি তুলে তার অপকর্মকে ঢাকার চেষ্টা করতেন এবং আরও অপকর্ম করার সুযোগ খুঁজতেন। সে নিজেকে সেনাকর্মকর্তা পরিচয় দিতেন। কখনো মেজর, লেফটেন্যান্ট কর্নেল, কর্নেল এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামও ব্যবহার করতেন।

আমরা তাকে আটক করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে আশা করছি জনগণের সঙ্গে সে প্রতারণা করেছে। জনগণই তাকে র‍্যাবের হাতে তুলে দিবে।

অন্যদিকে রিজেন্ট হাসপাতালে সাড়ে প্রায় চার হাজার করোনা টেস্ট ভুয়া রিপোর্টের বিষয়ে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, একজন কম্পিউটার অপারেটর বসে বসে সাড়ে চার হাজার রিপোর্ট তৈরি করেছেন। মনগড়া রিপোর্ট পজিটিভ-নেগেটিভ দিয়েছেন।

তাছাড়া মোট ১০ হাজার রোগীর করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে রিজেন্ট হাসপাতাল। মাত্র ৪ হাজার ২৬৪টি নমুনা সরকারিভাবে টেস্ট করে রিপোর্ট দেয়। এ ক্ষেত্রে ভয়াবহ প্রতারণার কৌশল গ্রহণ করে রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কারও জ্বর থাকলে তাকে পজিটিভ আর জ্বর না থাকলে নেগেটিভ রিপোর্ট প্রদান করে।

অভিযানের পর সব জানাজানি হলে রিজেন্ট থেকে পরীক্ষা করানো অনেকেই র‌্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, তাদের রিপোর্ট ঠিক নাকি ভুল সেটি জানার জন্য চেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এই হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটারের ভেতর চলতো রান্নাবান্নার কাজ। ফ্রিজ ভর্তি ছিল মাছ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০