শনিবার ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল

‘স্যার, এই পুলিশদের চাকরি যেন না যায়’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

প্রতিকার চেয়ে লক্ষ্মীপুরের এক ব্যক্তি গত ২ মে বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং পরিচালিত বাংলাদেশ পুলিশ অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজের ইনবক্সে একটি বার্তা পাঠান। বার্তায় স্থানীয় একটি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জসহ এক কর্মকর্তার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ আসে।

তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে জেলা পুলিশ। তবে এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের চাকরি যেন না যায় সেই আর্জিও করেন ওই ব্যক্তি।

বুধবার (১৯ মে) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. সোহেল রানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন ঘটনা জানা গেল।

এতে বলা হয়েছে, লক্ষ্মীপুর থেকে পুলিশকে পাঠানো বার্তায় ওই ব্যক্তি অভিযোগ করেন, বেশ কিছুদিন ধরে তিনি লক্ষ্য করেছেন স্থানীয় ফাঁড়ির ইনচার্জ ও তার সহযোগী অপর এক কর্মকর্তা সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করছেন। তিনি নিজেও একবার তাদের হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবে অভিযোগের সপক্ষে তিনি কোনো সুনিদিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি দাবি করেন, সন্তর্পণে বিষয়টি তদন্ত করলে তার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।

বার্তা পাঠিয়ে ওই ব্যক্তি তার নিরাপত্তার বিষয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন। যদিও পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তার নিরাপত্তার বিষয়ে পূর্ণ আশ্বাস দেয়া হয়। এরপর ওই ব্যক্তির বার্তাটি লক্ষ্মীপুর জেলার পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামানকে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে একটি গোপন তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানায় সদর দপ্তর।

লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সাদা পোশাকে পুলিশের একটি টিমকে ওই এলাকায় নিয়োজিত করেন। সাদা পোশাকে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে তিনি অভিযোগের সত্যতা পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ফাঁড়ির ইনচার্জসহ অপর এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তাদেরকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। উপযুক্ত প্রমাণাদি ও তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পর অভিযোগকারী ব্যক্তি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংকে লেখেন, আপনাদের এবং লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের পেশাদারিত্বে আমি অনেক সন্তুষ্ট। আপনাদের সহযোগিতার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আপনাদের মাধ্যমে আমি লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি তার জন্য পুলিশ বাহিনীর কাছে আমার প্রত্যাশা বহুগুণ বেড়ে গেল। তবে, স্যার, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাদের শাস্তি যাতে চাকরিচ্যুতি না হয়, এটা আমার বিনীত অনুরোধ। কারণ স্যার, অপরাধ উনি করেছেন, উনার পরিবার তো করেনি। যাতে ওরা এই কাজগুলো করার আগে দ্বিতীয়বার ভাবে এটাই আমার অভিযোগ দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০