সর্বশেষ:
সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট

লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসার জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান, পরিত্যক্ত ঘোষণা দাবী

চন্দ্রগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুর সদরের চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন উত্তরজয়পুর হানিফিয়া আলিম মাদ্রাসার জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। এতে যে কোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ে প্রাণহানিসহ বড়ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা। ভবনটি অতিদ্রুত পরিত্যক্ত ঘোষণার দাবী জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।

সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তরজয়পুর হানিফিয়া আলিম মাদ্রাসাটি ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৪ সালে মাদ্রাসাটি দাখিল বিভাগ পর্যন্ত সরকারের এমপিওভূক্তি লাভ করে। এরপর ২০০৫ সালে আলিম মাদ্রাসা হিসেবে সরকারের স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে সুনামের সহিত শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে, আলিম বিভাগটি এখনো সরকারের এমপিওভূক্ত হয়নি। বিগত একদশক ধরে মাদ্রাসাটি নিয়মিতভাবে ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে।

উত্তরজয়পুর হানিফিয়া আলিম মাদ্রাসাটি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার সীমান্তর্বতী প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল মিছাহাটখোলা নামক এলাকায় অবস্থিত। প্রত্যন্ত গ্রামের এই দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন যাবত সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। মাদ্রাসার একতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনটি ১৯৯৭ সালে শিক্ষাপ্রকৌশল বিভাগ থেকে বাস্তবায়ন হলেও এরপর থেকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ভবনটি একবারও সংস্কার করা হয়নি। এই ভবনটি বর্তমানে জরাজীর্ণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তাই অতিদ্রুত ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার দাবী জানিয়েছেন অভিভাবকসহ এলাকাবাসী।

কয়েকজন অভিভাবক বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের মাদ্রাসার এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান করতে পাঠিয়ে সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকি। তাই ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. আবদুন নূর বলেন, মাদ্রাসাটি অবস্থানগত দিক থেকে দুই জেলার সীমান্তবর্তী ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি সরকারি উন্নয়ন সুযোগ-সুবিধা থেকে অবহেলিত ও বঞ্চিত। বিশেষ করে মাদ্রাসার আলিম বিভাগটি এমপিওভূক্ত করার পাশাপাশি জরাজীর্ণ একাডেমিক ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে একটি নতুন ভবন অনুমোদন দেওয়ার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন অধ্যক্ষ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

August 2026
S S M T W T F
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031