সোমবার ১লা জুন, ২০২৬ ইং ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

আগস্ট যাক দেখি কেমন ব্যাটা তোমরা, বিএনপিকে মায়া

আকাশবার্তা ডেস্ক : 

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারীরা যেন আর মানুষ হত্যা করতে না পারে। সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনো আছে। যেটা শুরু হয়েছে একাত্তর থেকে। একটার পর একটা অঘটন ঘটিয়েছে। ওরা কিন্তু তৎপর। সাপ মরে না যতক্ষণ পর্যন্ত না তাকে পুরোপুরি না মারবেন। লেজে পাড়া দিয়া ছাড়তে নাই। এই সাপকে চিরতরে মারতে হবে।

আজ সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে নগর ভবনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব মন্তব্য করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ডিএসসিসি মেয়রের শেখ ফজলে নূর তাপসের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু প্রমূখ।

মায়া চৌধুরী বলেন, বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল বলে আওয়ামী লীগ দৌঁড়ায়ে জায়গা পাইবো না। আমগো বঙ্গোপসাগরে ফালায় দিব। আমাদের পিঠের চামড়া নাকি রাখব না। কত বড় কথা? আরে ব্যাটা, আগস্ট মাসটা যাক। সেপ্টেম্বর মাসে আমরা মাঠে নামব। দেখি কেমন ব্যাটা তোমরা। হ্যাডম থাকলে মাঠে আইসো। রাজপথ কাউকে ইজারা দেয়া হয়নি। দুইটা নিয়া বইয়া থাকেন। কোথায়? এই প্রেসক্লাব আর পুরানা পল্টন। এই দুই জায়গা হতে বাইর হইতে পারেন না। একই মাল, একই জিনিস, একই নাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, কর্নেল রশিদকে ‘ইউ গো এহেড’ আদেশের মাধ্যমে খুনি জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। খুনি কর্নেল রশিদ আর কর্নেল ফারুক দু’জনই ভায়রা ভাই। তারা তাদের স্বীকারোক্তিতে, সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে বার বার উল্লেখ করেছে, যে ‘জিয়াউর রহমান আর খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে তারা বারবার শলা-পরামর্শ করেছে, দেখা করেছে, কথা বলেছে। মোশতাকের সঙ্গে কুমিল্লার বার্ডে সভা করেছে। কর্নেল রশিদ গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে খুন করার জন্য জিয়াউর রহমানের সম্মতি চেয়েছে। উপ-সেনাপ্রধানের একজন কর্মকর্তার কাছে যদি সেনাবাহিনীর অধঃস্তন কর্মকর্তা গিয়ে বলে যে- আমরা রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো। আমরা ক্যু করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। উনি (জিয়া) জবাবে কি বলছেন? উনি কি সেই অধঃস্তন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন? উনি কি সেই অধঃস্তন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মার্শাল ল কোর্টে ব্যবস্থা নিয়েছেন ? তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করার ব্যবস্থা নিয়েছেন? না, তিনি বলেছেন ‘ইউ গো আহেড’। তার মানে তোমরা এগিয়ে যাও। রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করো, ক্যু করো। রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করো।

খুনিরা ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পরে কোথায় গিয়েছিলেন প্রশ্ন রেখে তাপস বলেন, তারা আবারও গিয়েছে খুনি মোস্তাকের কাছে বঙ্গভবনে। তাকে নিয়ে রেডিওতে বার্তা দেয়ার জন্য। আর গিয়েছে খুনি জিয়াউর রহমানের কাছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০