নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে মোটরসাইকেল রাখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের দুই নেতার মধ্যে বাকবিতন্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রশিবিরের নেতাকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক মহাসড়ক অবরোধ করে দলের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদে মিছিল বের করে। পরে ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আব্দুল হান্নানের নির্দেশনায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা অবরোধ তুলে নেয়।
শনিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৯টায় চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজার নিউ মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ছাত্রদলের নেতার বিরুদ্ধে অশালীন স্লোগানসহ সড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি সৃষ্টির প্রতিবাদে রবিবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদল।
স্থানীয় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হতে চন্দ্রগঞ্জ বাজার পর্যন্ত ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এ্যাড. সাইফুল ইসলাম দিপু, চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফ উদ্দিন জাবেদ, সদস্য সচিব নাজমুল হাসান কাউসার, কফিল উদ্দিন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ফরহাদ হোসেন রাজু, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী রিংকু পাটোয়ারী, ছাত্রনেতা ইয়াকুব মুন্না রিপনসহ দলের নেতাকর্মীরা
বক্তব্যে ছাত্রদলের নেতারা জামায়াত ও ছাত্রশিবিরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে আপনারা আমাদের সহযোদ্ধা ছিলেন। আমাদের কোন নেতা বা কর্মী যদি কোন ভুল করে, তা আলোচনা করে সমাধান করা যেত। এভাবে জনগণকে হয়রানী করে রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ করা কখনই কাম্য নয়।
প্রসংগত, গত শনিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ নিউ মার্কেটের সামনে মোটরসাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব নাজমুল হাসান কাউসার ও ৪নং আলাইয়ারপুর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের পাঠাগার ও অফিস সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত ইমনের সাথে বাকবিতন্ডা ও একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।