রবিবার ৩১শে মে, ২০২৬ ইং ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

যা বলছে ভারত, পহেলগামে সেনা ছিল না কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতশাসিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার দুদিন পর বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বৈঠকে বসেছিল ভারতের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো। এসময় কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া প্রশ্নের মুখে ফেলে বিরোধীরা।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে বিরোধীদের মূল প্রশ্ন ছিল—পহেলগামের কাছে বৈসারনে হামলার সময় কেন কোনো নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন ছিল না? কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী প্রথম এই প্রশ্ন তোলেন, পরে রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ও আম আদমি পার্টির সংসদ সদস্য সঞ্জয় সিংসহ আরও অনেকে তা সমর্থন করেন।

জবাবে সরকার জানায়, বৈসারন এলাকা সাধারণত জুন মাসে শুরু হওয়া বার্ষিক অমরনাথ যাত্রার আগে থেকেই নিরাপত্তার আওতায় আসে। তখন ওই পথ আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয় এবং তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য সেনা মোতায়েন করা হয়। কিন্তু এ বছর স্থানীয় পর্যটন সংস্থাগুলো ২০ এপ্রিল থেকেই সেখানে পর্যটক নিয়ে যাওয়া শুরু করে দেয়। প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে আগাম কোনো তথ্য ছিল না। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই পর্যটন শুরু হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি।

বৈঠকে বিরোধীরা আরও প্রশ্ন তোলে—ভারতের যদি পানি সংরক্ষণক্ষমতা না থাকে, তাহলে সরকার কেন সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করলো?

জবাবে সরকারি প্রতিনিধি জানান, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবিক লাভের জন্য নয়, বরং প্রতীকী ও কৌশলগত বার্তা দেওয়ার জন্য নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, সেটাই এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকার কোন পথে এগোবে, তার ইঙ্গিতও এতে রয়েছে।

বৈঠকে কংগ্রেস, বিজেপি, এনসিপি-এসপি, শিব সেনা, আরজেডি, ডিএমকে ও সমাজবাদী পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন জেপি নাড্ডা, সুপ্রিয়া সুলে, প্রফুল প্যাটেল, সসমিত পাত্র, শ্রীকান্ত শিন্ডে, প্রেমচাঁদ গুপ্ত, তিরুচি শিবা ও রাম গোপাল যাদব। -সূত্র : এনডিটিভি

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১