সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

শপথের পরদিনই ভয় বিএনপি নেতাদের

আকাশবার্তা ডেস্ক :
গত শনিবার রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় নেতারা দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে শপথ নিয়েছিলেন যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা ভয় পাবেন না এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করবেন। কিন্তু তাদের এই শপথের বিপরীত চিত্র দেখা গেল একদিন পরই।
শনিবার থেকেই অনেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারের ভয়ে আত্মগোপনে। অনেকে নেতার মোবাইল ফোনও বন্ধ রেখেছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও নেই নেতাকর্মীদের আনাগোনা। এ অবস্থায় দলের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রিজভী রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন একজনকেই নিয়ে। ওই সংবাদ সম্মেলনে রিজভীর পাশে তার অনুসারী বলে পরিচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম ছাড়া আর কাউকে দেখা যায়নি। অথচ অন্যসময় টিভি ক্যামেরাই হোক আর প্রিন্ট মিডিয়ায়ই হোক মুখ দেখাতে দলীয় সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভিড় করতেন। এখন চলছে মুখ লুকানোর প্রতিযোগিতা। গতসপ্তাহে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালতে হাজিরা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে হাইকোর্টের সামনে পুলিশকে হামলা করে কয়েকজন আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে পুলিশের গ্রেপ্তার অভিযানের পর থেকেই মূলত গ্রেপ্তার এড়াতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই প্রকাশ্যে আসছেন না। নেতাদের এই ভীতির কারণে ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জেল হলে আদৌ এসব নেতা রাজপথে নামবেন কিনা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কর্মীদের মনে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক কর্মী আমার সংবাদকে বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের এই গা বাঁচিয়ে চলার কারণেই আওয়ামী লীগ সরকার আরও বেশি বেশি গ্রেপ্তার চালাচ্ছে। আর কেন্দ্রীয় নেতারা যদি রাজপথে নামতে ভয় না করত তাহলে আন্দোলনও চাঙা হত এবং গ্রেপ্তারের প্রবণতাও কমে যেত। তিনি বলেন, এই পিছু হটানীতির জন্য তৃণমূল নেতাকর্মীরাও রাজপথে নামতে চায় না। ফলে আন্দোলন ব্যর্থ হয়। যেমনটি হয়েছিল ২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপির ডাকা টানা তিনমাসের অবরোধ হরতাল। এখনও সেই ব্যর্থতার রেশ চলছে।
অপর একজন বিএনপিকর্মী বলেন, শনিবার বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কিছু হলে কেন্দ্রীয় নেতাদের এক হয়ে সাহসের সঙ্গে মাঠে নামার শপথ দেখে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উৎসাহ পেয়েছিল। তারা বুঝতে পারেনি একদিন পরই কেন্দ্রীয় নেতাদের সাহসিকতার এই নমুনা দেখতে পাবে। তিনি বলেন, আগেই যদি এমন অবস্থা হয় তাহলে ৮ ফেব্রুয়ারি নেত্রী জেলে গেলে কী করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আর সহায়ক সরকারের আন্দোলনের দাবি আদায়ের আন্দোলনই বা হবে কী করে।
তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সাহস কমেনি এবং গ্রেপ্তারের কোনো ভয় নেই বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় নেতা ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা তো দূরে থাক একজন সাধারণ কর্মীও গ্রেপ্তারের ভয়ে আত্মগোপন করেনি। বরং আগের তুলনায় বিএনপি আরও সুসংহত হয়েছে এবং নেতাকর্মীরা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি সংক্রান্ত মিথ্যা মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারির রায়কে কেন্দ্র করে যেকোনো পরিস্থিতি গণতান্ত্রিকভাবে মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়েছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930