-
- রাজনীতি, শীর্ষ খবর
- আজ আ.লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
- আপডেট : June, 23, 2018, 5:22 am
- 430 জন পড়েছেন
আজ ২৩ জুন দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দীর্ঘদিনের লড়াই সংগ্রাম পেরিয়ে টানা দুই মেয়াদ ধরে রাষ্ট্রক্ষমতায় দলটি। দলের মহেন্দ্রক্ষণের দিনে বিশেষ বর্ধিত সভা ডেকেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। সভায় বিশেষ বার্তা দেবেন তিনি। তবে কী বিশেষ বার্তা দেবেন তা নিশ্চিত করেননি দলটির নেতারা। দলটির একাধিক নেতা মনে করেন, সরকারের সাড়ে নয় বছরের উন্নয়ন, আগামী নির্বাচন ও দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে নেতাদের কিছু নির্দেশনা দেবেন। বিশেষ করে আগামী নির্বাচনে দলের প্রার্থী নির্বাচন ও ভোটের মাঠে বিরোধী শিবিরের অপরাজনীতি মোকাবিলায় কিছু কৌশলি পরামর্শ দেবেন।
তথ্য মতে, দলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত বা জরুরি বার্তা থাকলে বিশেষ বর্ধিত সভা ডাকা হয়। ২০১৬ সালে দলের ২০তম কাউন্সিলের পর বর্তমান কমিটি মেয়াদে গত বছর ২০ মে গণভবনে প্রথম বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠক আকারে ছোট ছিল। আজ সকাল সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বসছে দ্বিতীয় বর্ধিত সভা। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সকল নেতা, উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় কমিটির সদস্য, সকল মহানগর, জেলা, উপজেলা ও পৌরসভার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দলীয় সব সংসদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অন্তর্গত প্রতিটি থানার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সকল সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদককে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় সূত্র মতে, বর্ধিত সভায় ৪ হাজারের মতো নেতার সমাগম ঘটবে।
এর মধ্যে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের ৮১ সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদের ৪১ জন, জাতীয় কমিটির সদস্য ৯৯ জন, জেলা ও মহানগরের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ১৫৬ জন, উপজেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ৯৮৪ জন, পৌরসভার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ৬৪৬ জন, দলীয় সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত আসনসহ) ২৮৯ জন, সিটি কর্পোরেশন অন্তর্গত থানার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ১৯২ জন, সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ২৬ জন, সিটি কর্পোরেশনের দলীয় মেয়র ৫ জন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ৪৮ জন, উপজেলা চেয়ারম্যান ৩৩৬ জন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) ৩৩০ জন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) ৩২৬ জন, পৌরসভার দলীয় মেয়র ২১৬ জন, ঢাকা দুই মহানগর ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ২৫৮ জন, ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দলীয় কাউন্সিলর ১২৪ জন।
এদিকে, বর্ধিত সভায় অংশ নিতে সারাদেশের তৃণমূল নেতারা ইতোমধ্যে ঢাকা এসেছেন। দলীয় প্রধানের নির্দেশনা নিয়ে নতুনভাবে মাঠে নামবেন। শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে বলেন, বর্ধিত সভার কোনো এজেন্ডা আমরা পাইনি। তবে বিশেষ বর্ধিত সভা, গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত বা আলোচনার জন্যই ডাকা হয়। সামনে যেহেতু জাতীয় নির্বাচন, ওই নির্বাচনের বিষয়ে দলীয় অবস্থান ও কার্যক্রম নিয়ে নেত্রী দিক নির্দেশনা দেবেন বলে আশা করছি। আওয়ামী লীগ সূত্র মতে, কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে বিশেষ বর্ধিত সভা ডেকেছেন সভানেত্রী। প্রথমত. আজ দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, দিনটি আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মীর জন্য গর্বের।
দ্বিতীয়ত. দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে দলটির হাল ধরেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তার হাত ধরে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পথ বেয়ে এই দিনে আধুনিক নতুন কার্যালয় পেতে যাচ্ছে দেশের প্রাচীনতম দলটি। তৃতীয়ত. সামনে একাদশ জাতীয় নির্বাচন। চতুর্থ. সাড়ে ৯ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তুলে ধরা। পঞ্চমত. ঈদ পরবর্তী সময়ে দলীয় নেতাদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন দলীয়প্রধান শেখ হাসিনা। সূত্র আরও জানায়, সভায় কয়েকজন তৃণমূল নেতার কথা শুনবেন শেখ হাসিনা। দলের সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতারাও বক্তব্য রাখতে পারেন। সভায় আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নেতাদের নির্দেশনা দেবেন শেখ হাসিনা।
বিশেষ করে সরকারের উন্নয়ন চিত্র ও বিএনপি জোট সরকারের জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতির চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরার নির্দেশনা দেবেন। আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী নির্বাচনের জন্য কিছু নির্দেশনাও থাকতে পারে। এছাড়া দলের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে বা নতুন কেউ অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য সতর্কবার্তা দিতে পারেন বলে সূত্র জানিয়েছে। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন দৈনিক আমার সংবাদকে বলেন, বিশেষ বর্ধিত সভার মানেই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সভা। যেহেতু কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল সবাইকে ডেকেছেন, নেত্রী বিশেষ বার্তা দেবেন। আমরা নেত্রীর বার্তার অপেক্ষায় আছি।
নতুন অফিস উদ্বোধন হবে, নতুন প্রেরণায় আমরা কাজ করবো। আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন পড়লে বিশেষ বর্ধিত সভা ডাকা হয়। দলের নেতাদের জন্য নিশ্চয় নতুন কোনো নির্দেশনা আসবে। উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ বাঙালি জাতির যা কিছু শ্রেষ্ঠ অর্জন, তার মূলে রয়েছে আওয়ামী লীগ।
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর প্রান্তরে বাংলার যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল, ১৯২ বছর পর ১৯৪৯ সালের একই দিনে সেই স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে আওয়ামী লীগের পথচলা শুরু। দীর্ঘ দু:শাসনের পরিক্রমায় ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর গণতন্ত্রের মানষপুত্র খ্যাত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শামসুল হকের নেতৃত্বে ঐদিন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। জন্মলগ্নে এই দলের নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’। পথচলা থেকেই ধর্মনিরপেক্ষ-অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, শোষণমুক্ত সাম্যের সমাজ নির্মাণের আদর্শ এবং একটি উন্নত সমৃদ্ধ আধুনিক, প্রগতিশীল সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্মাণের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শনের ভিত্তি রচনা করে আওয়ামী লীগ। যার প্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালের কাউন্সিলে ধর্মনিরপেক্ষ নীতি গ্রহণের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ নামকরণ করা হয়।
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস একসূত্রে গাঁথা। ৪৭’র দেশ বিভাগ, ৫২র ভাষা আন্দোলন, ৬২’র ছাত্র আন্দোলন, ৬৪-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬র ছয় দফা, ৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এর নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলনে আওয়ামী লীগই ছিল মূল ভূমিকায়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও দেশের প্রয়োজনে সকল গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল আন্দোলনের সাহসী মিছিলের নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের উদ্যোগেই মাতৃভাষা বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষার আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদা লাভ করে। ২১শে ফেব্রুয়ারি ঘোষিত হয় জাতীয় ছুটির দিন ‘শহীদ দিবস’। আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ প্রায় সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলা একাডেমি। মন্ত্রিত্বত্যাগ করে জনগণের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করে তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় সংগঠন গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” খ্যাত কালজয়ী ভাষণ ও পরবর্তীতে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন, ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যার পর ২৬ মার্চে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অবশেষে দীর্ঘ ৯ মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অভ্যুদ্বয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের রূপকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির স্বতন্ত্র জাতি-রাষ্ট্র ও আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার সুমহান ঐতিহ্যের প্রতীক। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধুর সরকার স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে নিবেদিত ঠিক তখনই স্বাধীনতা বিরোধীচক্র আন্তর্জাতিক শক্তির সহায়তায় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে।
১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নবউদ্যামে সংগঠিত হয়। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাঙালি জাতির হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের এক নবতর সংগ্রামের পথে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথপরিক্রমায় অনেক অশ্রু, ত্যাগ আর রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি ফিরে পায় ‘ভাত ও ভোটের অধিকার’। আজ বঙ্গবন্ধু-কন্যা, রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে ও সুদক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্থিতিশীল অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নয়নে গতিশীলতা, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়নের ফলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৯টায় ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে পুস্পার্ঘ্য নিবেদন, সকাল ১০টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সংগঠনের নবনির্মিত কার্যালয় ভবন উদ্বোধন। নবনির্মিত কার্যালয় ভবন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এমপি।
এছাড়া একই দিন সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এক বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় আগামী দিনের লড়াই সংগ্রাম এবং জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা বিশেষ বার্তা দিবেন বলে জানা গেছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল জেলা, উপজেলাসহ সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থকদের আহবান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি।
এই বিভাগের আরও সংবাদ