শুক্রবার ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

‘২০৪১ সালের মধ্যে ৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে’

আকাশবার্তা ডেস্ক : 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৬সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহের উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ২০ হাজার মেগাওয়াট। ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট আর ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি আমরা।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে আমরা বাংলাদেশকে কিভাবে গড়ে তুলবো। ২০৪১ সালে কিভাবে গড়ে তুলবো। এবং পরবর্তীতে শতাব্দীতে বাংলাদেশ কি হবে সেই বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করে সেটাকেও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এভাবেই বাংলাদেশের জন্য একটা ভবিষ্যত গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে খরচ হচ্ছে ৬ টাকা ২০ পয়সা করে, বিক্রি হচ্ছে ৪ টাকা ৮২ পয়সা করে। দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছেন। সবাইকে এ সেবার আওতায় আনতে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ সুযোগ আর থাকবে না।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন যেখানে রেখে গেছি ২০০৯ সাল পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিল তারা সেটি কমিয়ে ফেলল। ২০০৯ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল মাত্র ৪ হাজার মেগাওয়াট। কার্যত তা ছিল মাত্র ৩২শ’ মেগাওয়াট’

‘২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা হাতে নিই। প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার উদ্যোগ নিই। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হিসেবে আমরা ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৯ বছরে ২৪৩৫১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন উন্নীত করার জন্য ১৩৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিই। ইতোমধ্যে ১০১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। ২০০৯ সালের পূর্ববর্তী একশ বছরে হয়েছিল মাত্র ২৭টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়ায় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে বিদ্যুৎ অপচয় রোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে ভারত, নেপাল-ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়ে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের এই ছোট শিশু কিশোর ছেলেমেয়ে তাদের জন্য আমরা চাই, একটা সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে তুলতে। যেন তারা তাদের জীবনকে সার্থক করতে পারে। সুন্দর করতে পারে এবং উন্নত করতে পারে। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। বিশ্বের সাথে যেকোনো ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় তারা যেন সবসময় তাদের প্রাধান্য ধরে রাখতে পারে।

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১১ লাখ মানুষের জন্য রাস্তায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্যাটেলাইটের সুফল হিসেবে বাংলাদেশ-ভুটান সাফ ফুটবল ম্যাচের স্বচ্ছ খেলা দেখতে পাওয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০