আকাশবার্তা ডেস্ক :
দশ বছর ক্ষমতার বাইরে বিএনপি। ২২৭ দিন কারাগারে খালেদা জিয়া। দেশান্তর তারেক জিয়া। তবুও এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে চায় না বিএনপি! বিএনপির স্টেডিয়াম আছে, নেই খেলোয়াড়। অতৃপ্ত নেতৃত্ব শুশ্রুষা। ক্ষমতাসীনদের কাছে শর্তবিহীন নতি স্বীকার। দলের জনপ্রিয়তার সাম্রাজ্য আছে, কিন্তু নেই সম্রাজ্ঞী। নেতৃত্ব কাঁটায় রক্তক্ষরণ। আক্রান্ত নি:শ্বাসে অসুস্থ দল। আইনি অদক্ষতায় নেতৃত্বের মাকে কারাগারে সমর্পণ করে রাজনীতির রঙিন বেলুনই বিএনপির এখন একমাত্র আস্থা। পরিপাটি রাজনীতির পেয়ালা তৈরিতে অন্যের কাঁধে ভর করবে দলটি। দলের ঘরে বাইরে সব বৈঠকে আলোচনার মূল কেন্দ্র বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা দেশের নেতৃত্বে অযোগ্য। তাই কিছু সময় আওয়ামী লীগ ব্যতিত অন্য কারো হাতে ক্ষমতার চাবি তুলে দিয়ে নিজেরা যোগ্য হবে।
দলের বিশ্লেষণ চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতে বিএনপিতে বুদ্ধিভিত্তিক ও সাহসী নেতৃত্বের চরম সংকট। দেশে এবং দেশের বাইরে বৈঠকের পর বৈঠক করেও কার্যকরী সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারছে না দলটি। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি কার নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করবে? নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং সরকার পতনের আন্দোলনের দিক নির্দেশনা কে দেবেন? খালেদা জিয়া কারাগারে- তারেক রহমান বাইরে এ পরিস্থিতিতে সরকার গঠন হলে নেতৃত্বের চাবি কার হাতে থাকবে? এ নিয়ে উভয় সংকটে বিএনপি।
তবে দলীয় সূত্র বলছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বিএনপি চলবে। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কিংবা মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে। তবে যেকোনো মূল্যে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামানোই বিএনপির মূল টার্গেট। প্রয়োজনে ড. কামালের হাতে দুবছর ক্ষমতা। বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের নেতৃত্বের হাত ধরেই নির্বাচনের পথে যাবে বিএনপি।
সর্বশেষ সরকার গঠন হলে সরকারের প্রধানও হবেন ড. কামাল হোসেন। মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রস্তাব অনুযায়ী অন্তত প্রথম দুবছরের সরকার পরিচালনার ভার বৃহত্তর জোটের নেতাদের হাতেই থাকবে। তবে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এসকে সিনহাকে নিয়েও কথা বলবেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। এরপর রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত হলে বিএনপির নেতৃত্বের হাতে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। অর্থাৎ মালয়েশিয়ার মডেল মাহাথির মুহাম্মদ ও আনোয়ার ইব্রাহিম; তারা যে জোট বেধেছিলেন এখন সেই আওয়াজটা তুলছেন অনেকে।
আনোয়ার ইব্রাহিমের আসন সংখ্যা বেশি থাকলেও পরিবর্তনের জন্য মাহাথিরকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নেয়। বাংলাদেশেও সেই মডেলের কথা বলা হচ্ছে। বিরোধীদের মূল টার্গেট শেখ হাসিনা থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেয়া। কিন্তু বাংলাদেশে সেই মাহাথির কে? সেটি কেউ স্বীকার করছেন না। তবে আকার ইঙ্গিতে বলা হচ্ছে সেটি হতে পারেন ড. কামাল।
জনপ্রিয়তায় বিএনপি তুঙ্গে থাকলেও শাসক দল থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেয়ার জন্য ছাড় দিয়ে হলেও ড. কামালের নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত দলটি।এদিকে বাংলাদেশের নির্বাচনের আগেই ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজও ঢাকায় আসছেন। তার আগেই পরিস্থিতি তৈরি করছে বিএনপি। বিএনপির আন্দোলনে সিনহা বিস্ফোরণ হবে আরেক অধ্যায়! তবে কারাগার থেকে খালেদা জিয়ার বার্তা ভিন্ন। আন্দোলনে নামলে রাজপথে জামায়াতকে লাগবে।
বিএনপির ক্ষমতা নেই ক্ষমতাসীন ও পুলিশের সাথে টিকে থাকা। এখন এ বিষয়টি নিয়েই বি.চৌধুরীর সাথে চলছে দূরত্ব। যার কিঞ্চিৎ আলামত দেখা গেছে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নাগরিক সমাবেশে। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট পর বি.চৌধুরী আসলেও তাকে সম্মান জানাতে দাঁড়ান বিএনপি মহাসচিবসহ কামাল হোসেন। হ্যান্ডশেক করতে হাত বাড়িয়ে দেন মওদুদ আহমেদ ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কিন্তু হাত মেলাননি বি.চৌধুরী! ড. কামাল হোসেনের সাথে হাত মিলিয়েই তিনি বসে যান।
সেই বৈঠকেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কারাগার থেকে খালেদা জিয়া খবর পাঠিয়েছেন যেকোনো মূল্যে জাতীয় ঐক্য করে এই দুঃশাসনকে সরাতে।এদিকে রাজনৈতিক সূত্র বলছে, ঐক্য প্রক্রিয়ার নেপথ্যে থাকবেন তারেক জিয়া। ড. কামাল হোসেনের সরকার স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করবে, তার বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করবে, তারেক জিয়াকেও মুক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করবে। বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। নির্বাচনে জয়ী হলে বর্তমান সংবিধান সংশোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। দুবছর পর ড. কামাল বিএনপির কাউকে প্রধানমন্ত্রিত্ব দিয়ে পদত্যাগ করবেন।
এদিকে ঐক্য প্রক্রিয়ায় যতই বলা হোক, জামায়াতে ইসলামিকে রাখা হবে না। তবে খালেদা জিয়ার নির্দেশে জামায়াত কৌশলে সব কর্মসূচিতেই থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের মত। বিএনপি যে ক্ষমতার পরিবর্তন চাইলেও দায়িত্ব কাঁধে নিতে চায় না, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গ টেনে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আহমদ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনে না জিততে পারলে ক্ষমতা অন্যের হাতেও দিতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, আগামী নির্বাচন যদি হয়, আর সে নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগ ১৫১ আসন না পায়, তা হলে ক্ষমতা অন্যের হাতে দিয়ে দেবে। এ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ৫ জানুয়ারি থেকে দেখানো শুরু করেনি, তারা বঙ্গবন্ধুর সময় থেকেই নির্বাচনকে বৃদ্ধাঙ্গুিল দেখিয়ে গণতন্ত্র হরণ করছে। ঢাবির সাবেক এ ভিসি আরও বলেন, হাসিনা ক্ষমতা দখল করার জন্য শুধু গণতন্ত্র হরণই নয়, যা করা দরকার তা-ই করছে। মিথ্যাচার-অপপ্রচারসহ মামলা, খুন, গুম সবই করছে। তবে তাদের সময়ও শেষ হয়ে এসেছে।
বিএনপি নীতিনির্ধারকদের ভাষ্য, ক্ষমতাসীনদের কৌশলের কাছে আইনি লড়াইয়ে ব্যর্থ বিএনপি! ২২৭ দিন পূর্ণ হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাস। এরই মধ্যে খালেদাকে কারাগারে রেখে নির্বাচনি হিসাব কষছেন দলের একটি অংশ। দলের কিছু শীর্ষ নেতা মনে করছেন রাজনীতিতে ‘শেষকথা’ বলতে কিছু নেই। এদিকে নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বিভক্তি শুরু হচ্ছে। লন্ডন থেকে তারেক জিয়ার নির্দেশ যেকোনো পরিস্থিতিতেও নির্বাচনের আগে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না মিললে নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখতে। দলের কয়েকজন স্থায়ী কমিটির সদস্যও এ বিষয়ে একমত।
তবে বড় একটি অংশ খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচনে না যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির সংস্কারবাদীরা ব্যাখ্যা করছেন এখনই কেন বিএনপির নেতৃত্বে আসন গ্রহণ করা উচিৎ নয়। তাদের ভাষ্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কিছুটা গঠনমূলক রাজনৈতিক ইমেজ থাকলেও ভালো রাজনৈতিক দর্শনে তার ঘাটতি আছে। মওদুদ আহমদতো বহু আগে থেকেই দলে অবিশ্বাসীদের তালিকায়। দল ভাঙার কোনো হোতার তালিকা এলে তার নাম প্রথমে থাকবে বলেও ধারণা পাওয়া যায়। খালেদার মামলা নিয়ে ব্যর্থ হয়ে নানা সমালোচনার মাঝে রাজনীতিতে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে এখন সরকার হুঙ্কার দিয়ে যাচ্ছে।
আর দলে দাপুটে স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন মির্জা আব্বাস। কাদামাটি কিংবা রোদ-বৃষ্টিতে সবসময় ধবধবে পাঞ্জাবি পরেন। ঢাকায় রাজপথমুখী আন্দোলনের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীও তিনি, এমন কথা দলের সিনিয়র নেতাদের মুখে বহুবার উঠে আসে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য তরিকুল ইসলাম এখন গুরুতর অসুস্থ। দলের কোনো কর্মসূচিতেও এখন তাকে খুব একটা পাওয়া যায় না। অন্যদিকে দলের স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল (অব.) মাহাবুবুর রহমান বিএনপিতে সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিত। দলের চেয়ারপারসনের রায়ে রাজপথ তো নয়, সভা-সেমিনারেও প্রতিবাদ কিংবা কথা বলছেন না তিনি।
তবে গণমাধ্যমকে মাঝেমধ্যে ফোনে মন্তব্য দেন। মাঝেমধ্যে টকশোতে দেখা যেতো স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিঞাকে, এখন তিনিও অসুস্থ। দলের এই দুঃসময়ে তিনিও রাজনীতি কিংবা রায় নিয়ে কোনো কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে কারো নাম এলে সবার আগে চলে আসে ড. আবদুল মঈন খানের নাম। কিন্তু তিনিও স্রোতের বিপরীতে হাঁটতে নারাজ।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তিনি ব্যবসা স্বার্থকেই সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেন বলে এমন কথা বহুদিন থেকেই প্রচলিত। যদিও ডিআরইউ-প্রেসক্লাবে নানা অনুষ্ঠানে তার এখন সরব উপস্থিতি রয়েছে। আরেক সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনিতো থেকেও নেই। ২২৭ দিন কারাগারে খালেদা জিয়া। অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব থাকা না থাকা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া আগামী ১০ তারিখ গ্রেনেডহামলার রায়ে গায়ে লাগবে আরেক কলঙ্ক।
এ পরিস্থিতি বিএনপি এখন ক্ষমতার ভার গ্রহণের চেয়ে কিছু সময় অন্যের হাতে ক্ষমতা দেয়ার পথেই হাঁটছে। তবে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামানোর সব কৌশলই তৈরি করছে। সম্প্রতি সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা সরকার, বিচার বিভাগ নিয়ে তার বইতে দেশের অস্তিত্ব নিয়ে যে টান দিয়েছেন নির্বাচনের আগে এটি বিএনপির কৌশলেরই অংশ বলে মনে করছেন অনেকে।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর এখনই নজর দিতে জাতিসংঘের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বিএনপি। সম্প্রতি জাতিসংঘ ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বৈঠকের মাধ্যমে আগামী জাতীয় নির্বাচন এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলের শীর্ষপর্যায়ের নজরে আনার কাজ শুরু করেছে বিএনপি। গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের রাজনৈতিকবিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিরোস্লাভ জেনকার সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। সফরকালে সেখানকার থিঙ্কট্যাঙ্কদের সঙ্গেও বৈঠক করে দলটি। বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দলের একটি প্রতিনিধি দলের ভারত সফরের কথাও শোনা যাচ্ছে।
জানা গেছে বাংলাদেশের নির্বাচনের আগেই ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজও ঢাকায় আসছেন। তার আগেই পরিস্থিতি তৈরি করবে বিএনপি। আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আমার সংবাদকে বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন ছাড়া আগামী নির্বাচন কোনোভাবেই হবে না। আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারপর নির্বাচন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশেই চূড়ান্ত হবে বিএনপির নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া।
আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণে বিএনপির সিদ্ধান্ত কী জানতে চাইলে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এটি এখন দিনের মতো স্পষ্ট যে, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে মাইনাস করতেই কারাবন্দি করা হয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য দেশি-বিদেশি চক্রান্তের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মাইনাস করতেই তাকে সাজানো মামলায় সাজা দিয়ে কারাবন্দি করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। খালেদা জিয়ার মুক্তির ওপর নির্ভর করবে আগামী জাতীয় নির্বাচন। তাকে বন্দি রেখে আগামী একদলীয় ফ্যাসিবাদী নির্বাচন করার উদ্যোগ নিলে কঠিন প্রতিরোধে তা নসাৎ করে দেওয়া হবে।
সূত্র : দৈনিক আমার সংবাদ