বুধবার ১৮ই মার্চ, ২০২৬ ইং ৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফাইনালে টাইগাররা, প্রতিপক্ষ ভারত

ক্রীড়া প্রতিবেদক :


এশিয়া কাপের সুপার ফোরের সবশেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে টাইগাররা। তৃতীয়বারের মতো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা উঠে গেল এশিয়া কাপের ফাইনালে। ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতের সঙ্গে ফাইনাল খেলবে মাশরাফিরা। মাশরাফী, রুবেলের উড়ন্ত ক্যাচ। লিটনের এক ক্যাচ মিসের বদলে দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্টাম্পিং। বাংলাদেশ যেমন বলে মারল, তেমনি মারল দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে। পাকিস্তান থেমে গেল ৩৭ রান আগে।

এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ প্রথম ফাইনাল খেলে ২০১২ সালে। সেবার মিরপুরে মাত্র ২ রানে পাকিস্তানের কাছে হেরে ট্রফি জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়। টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ২০১৬ আসরেও ফাইনাল খেলে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় স্বাগতিকদের। এখন ভারতের বিপক্ষে আরেকটি ফাইনাল।

আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বুধবারের অলিখিত সেমিফাইনালটা বাংলাদেশের জন্য এতটুকু সহজ ছিল না। ব্যাটিংয়ে শুরুর ধাক্কা সামলে মুশফিক (৯৯)-মিঠুন (৬০) ১৪৪ রানের কাব্যিক এক জুটি গড়ে দলকে ২৩৯ রানের সংগ্রহ এনে দেন। বল করতে নামলে ম্যাচ দুলেছে পেন্ডুলামের মতো। পাকিস্তানের তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ইমাম-উল-হককে নিয়ে শোয়েব মালিক বাংলাদেশের চিন্তা বাড়াচ্ছিলেন। জুটি যখন ৬৭ রানের, তখন পাখির মতো উড়ে ক্যাচ নিয়ে মালিককে সাজঘরে পাঠান অধিনায়ক মাশরাফী।

মাশরাফী ক্যাচটি নেন ২১তম ওভারে। রুবেলের প্রথম বলটি মিডউইকেট দিয়ে ফ্লিক করতে যান মালিক। শর্টমিড উইকেটে ছিলেন মাশরাফী। সুপারম্যানের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে বল ধরে ফেলেন। ৫১ বলে ৩০ রানে ফিরতে হয় মালিককে। শুরুতে পাকিস্তানি টপঅর্ডার নাড়িয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনে চার ওভারের ভেতর তিন উইকেট তুলে নেন। স্পিন দিয়ে আক্রমণ শুরু করে বাংলাদেশ। মাশরাফী বলে পাঠান মিরাজকে। ফখর আজম (১) উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিডঅনে রুবেলের চোখজুড়ানো ক্যাচের শিকার হন। অনেকটা বেঁকে লাফিয়ে উঠে বল ধরে ফেলেন রুবেল।

পরের ওভারে বাবর আজমকে ফেরান মোস্তাফিজ। ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে ওভার দ্য উইকেটে বল করেন। লেগ-মিডলে পিচ করে অফস্টাম্পে টার্ন করে। বাবর ডিফেন্স করতে গিয়ে লাইন মিস করে প্যাডে লাগান। আম্পায়ার তর্জনী উঁচু করে ফেরার নির্দেশ দেন। রিভিউ না নিয়েই পথ ধরেন বাবর (১)।

চতুর্থ ওভারে আবার আক্রমণে আসেন মোস্তাফিজ। প্রথম দুই বল ঠিকমতো লাইনে রাখতে ব্যর্থ হন। তৃতীয় বলটি মনের মতো করেন। ওভার দ্য উইকেট থেকে উড়ে যাওয়া বল অফস্টাম্পের বাইরে ছিল। সরফরাজ (১০) ঠিকমতো পা না নিয়ে ব্যাট চালিয়ে দেন। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় প্রথম স্লিপে। মুশফিক ডাইভ দিয়ে সেটি ধরে ফেলেন।

এরপর মাশরাফীর ওই ক্যাচে মালিক ফিরে যাওয়ার পর লিটন দাস ক্যাচ মিস করে দলকে চিন্তায় ফেলে দেন। পরে ব্যাক-টু-ব্যাক স্টাম্পিংয়ে সেই তিনি আবার দলকে ম্যাচে ফেরান।

৪০তম ওভারে আসিফ আলী মেহেদীর এক বলে ডাউন দ্য উইকেটে আসতেই লিটন স্টাম্প ভেঙে দেন। আসিফ ফেরার আগে ইমামের সঙ্গে ৭১ রানের জুটি গড়ে যান। তিনি ফিরলেও বিপজ্জনক ইমাম বাংলাদেশকে অস্বস্তিতে রেখেছিলেন। ব্যক্তিগত ৮৩ রানে এই ওপেনারকে ফিরতে হয় লিটন-রিয়াদের যুগলবন্দীতে। তিনিও ডাউন দ্য উইকেটে এসে আর ফিরতে পারেননি।

শেষ ৭ ওভারে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ৬৪। হাতে তিন উইকেট। এমন সময় ৪৪তম ওভারে হাসান আলীকে (৮) মাশরাফীর ক্যাচ বানান মোস্তাফিজ।৪৬তম ওভারে এসে মোস্তাফিজ আবারও সাফল্য পান। এবার ফেরান মোহাম্মদ নওয়াজকে। ফিজের এটি চতুর্থ উইকেট। ১০ ওভারে খরচ করেন ৪৩। মিরাজ ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। রিয়াদ ৩৮ রানে নেন এক উইকেট। সৌম্য ৫ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। রুবেল ৮ ওভারে ৩৮ রানে নেন ১ উইকেট। মাশরাফী ৭ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে উইকেটহীন।

এর আগে, টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান সংগ্রহ করতে গিয়ে দলীয় ১২ রানে টপঅর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন মুশফিক-মিঠুন। ৯৯ রানে আউট হন মুশফিক। ৪৮.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ তোলে ২৩৯ রান।

আবুধাবিতে সেমি ফাইনালের তকমা পাওয়া এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ওপেনিংয়ে নামেন লিটন দাস এবং সৌম্য সরকার। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ব্যক্তিগত কোনো রান না করেই বিদায় নেন সৌম্য। জুনাইদ খানের বলে ফখর জামানের হাতে স্কয়ার লেগে ক্যাচ তুলে দেন সৌম্য। দলীয় ৫ রানের মাথায় বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারায়।

দলীয় ১২ রানের মাথায় শাহিন আফ্রিদির বলে মুমিনুল হক (৫) বোল্ড হন। স্কোরবোর্ডে আর কোনো রান না উঠতেই ফেরেন আরেক ওপেনার লিটন দাস (৬)। জুনাইদ খানের বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর দারুণ একটি জুটি গড়েন মুশফিক-মিঠুন। স্কোরবোর্ডে তারা যোগ করেন ১৪৪ রান। ইনিংসের ৩৪তম ওভারে হাসান আলির বলে তারই হাতে ক্যাচ তুলে দেন মিঠুন। তার আগে ৮৪ বলে চার বাউন্ডারিতে ৬০ রান করেন মিঠুন। দলীয় ১৫৬ রানের মাথায় বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারায়।

ইনিংসের ৩৭তম ওভারে এলবির ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ইমরুল কায়েস। শাদাব খানের বলে আউট হওয়ার আগে ১০ বলে ইমরুল করেন ৯ রান। দলীয় ১৬৭ রানের মাথায় বাংলাদেশ পঞ্চম উইকেট হারায়। ইনিংসের ৪২তম ওভারে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৯৯ রান করা মুশফিক। মাত্র ১ রানের জন্য ওয়ানডেতে সপ্তম আর এশিয়া কাপে তৃতীয় সেঞ্চুরি বঞ্চিত হতে হয় মিস্টার ডিপেন্ডেবলকে। শাহিন আফ্রিদির বলে বিদায়ের আগে ১১৬ বলে ৯টি চারের সাহায্যে মুশফিক তার ইনিংসটি সাজান।

ইনিংসের ৪৬তম ওভারে জুনাইদ খানের বলে বিদায় নেন মেহেদি হাসান মিরাজ (১২)। ৪৮তম ওভারে জুনাইদ খানের বলে বোল্ড হন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তার আগে ৩১ বলে রিয়াদের ব্যাট থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ২৫ রান। ৪৯তম ওভারে রানআউট হন রুবেল হোসেন (১)। একই ওভারে মাশরাফি শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে করেন ১৩ বলে এক ছক্কায় ১৪ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :
ফল: ৩৭ রানে জয়ী বাংলাদেশ।
ম্যান অব দা ম্যাচ: মুশফিকুর রহিম
বাংলাদেশ ইনিংস: ২৩৯ (৪৮.৫ ওভার)
(লিটন দাস ৬, সৌম্য সরকার ০, মুমিনুল হক ৫, মুশফিকুর রহিম ৯৯, মোহাম্মদ মিথুন ৬০, ইমরুল কায়েস ৯, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৫, মেহেদী হাসান মিরাজ ১২, মাশরাফি বিন মুর্তজা ১৩, রুবেল হোসেন ১, মোস্তাফিজুর রহমান ০*‍; জুনায়েদ খান ৪/১৯, শাহীন শাহ আফ্রিদি ২/৪৭, হাসান আলী ২/৬০, মোহাম্মদ নওয়াজ ০/৩৯, শোয়েব মালিক ০/১৪, শাদব খান ১/৫২)।

পাকিস্তান ইনিংস : ২০২/৯ (৫০ ওভার)
(ফখর জামান ১, ইমাম-উল-হক ৮৩, বাবর আজম ১, সরফরাজ আহমেদ ১০, শোয়েব মালিক ৩০, শাদব খান ৪, আসিফ আলী ৩১, মোহাম্মদ নওয়াজ ৮, হাসান আলী ৮, শাহীন শাহ আফ্রিদি ১৪*, জুনায়েদ খান ৩*; মেহেদী হাসান মিরাজ ২/২৭, মোস্তাফিজুর রহমান ৪/৪৩, মাশরাফি বিন মুর্তজা ০/৩৩, রুবেল হোসেন ১/৩৮, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১/৩৮, সৌম্য সরকার ১/১৯)।

প্রথম বাংলাদেশি, বিশ্ব ক্রিকেটের ৩৩তম মুশফিক : এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিমের অপেক্ষা ছিল সপ্তম ওয়ানডে সেঞ্চুরির। ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে থাকতে হয় মিস্টার ডিপেন্ডেবলকে। এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অসাধারণ সেঞ্চুরি করে তিনি খেলেছিলেন ১৪৪ রানের ইনিংস। বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে আউট হয়েছেন ৯৯ রান করে। ১১৬ বলে মুশফিকের সাজানো ইনিংসে ছিল ৯টি বাউন্ডারির মার।

দলীয় ১২ রানে টপঅর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বাংলাদেশ যখন বিপাকে, তখন আবারো ব্যাটহাতে রানের ফোয়ারা ছোটান চাপকে দূরে ঠেলে দেওয়া মুশফিক। দারুণ ব্যাট করতে থাকা মুশফিক মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারেনি। তাতে হয়নি ওয়ানডেতে তার সপ্তম সেঞ্চুরি। ৯৯ রানের যন্ত্রণা নিয়ে ফিরলেও তাতে লিখে ফেলেছেন অন্যরকম এক গল্প।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে এর আগে কোনো ব্যাটসম্যান ৯৯ রানে আউট হননি। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে মুশফিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আউট হলেন ৯৯ রানে। এশিয়া কাপেও ৯৯ রানে আউট হওয়া প্রথম ব্যাটসম্যান মুশফিক। ওয়ানডেতে ৯৯ রানে আউট হওয়া প্রথম ব্যাটসম্যান ছিলেন ইংল্যান্ডের জিওফ বয়কট। ১৯৮০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওভালে ১৫৯ বলে করেছিলেন ৯৯। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম হলেও, আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে এর আগে ৯৯ রানে আউট হওয়ার ঘটনা ঘটেছে আরও ৩২ বার। মুশফিক এই তালিকায় ৩৩তম।

৯৯ রানে অপরাজিত থাকার গল্প আছে ১৪টি। তবে, ওয়ানডেতে ৯৯ রানে সবচেয়ে বেশিবার আউট হওয়া ক্রিকেটারের নাম ভারতের ব্যাটিং গ্রেট শচীন টেন্ডুলকার। তিনবার ফিরেছেন সেঞ্চুরি থেকে এক রান দূরে থাকতে। ২০০৭ সালে তিনি তিনবার ৯৯ রানে আউট হয়েছিলেন। এছাড়া সনাৎ জয়াসুরিয়া ২ বার আউট হয়েছেন ৯৯ রানে।

২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিক আউট হয়েছিলেন ৯৮ রান করে। এবার সে রেকর্ডটিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিলেন তিনি। সেবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে ৯৮ রানে রেমন্ড প্রাইসের বলে আউট হন মুশি। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৯০ রানে আউট হয়েছিলেন তিনি। সাদা পোশাকে নার্ভাস নাইনটিজের ঘরে মুশফিক তিনবার আউট হয়েছিলেন।

মুশফিকের আগে সবশেষ ক্রিকেটার হিসেবে গত বছর ৯৯ রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং। এছাড়া, সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থাকতে আউট হওয়া ব্যাটসম্যানের তালিকায় রয়েছেন পাকিস্তানের রমিজ রাজা, দক্ষিণ আফ্রিকার এবিডি ভিলিয়ার্স, ল্যান্স ক্লুজনার, গ্রায়েম স্মিথ, জেপি ডুমিনি, অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেন, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ভারতের ভিভিএস লক্ষন, রাহুল দ্রাবিড়, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, নিউজিল্যান্ডের স্টিফেন ফ্লেমিং, লুক রঞ্চি, ইংল্যান্ডের অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ, ইয়ন মরগান, জস বাটলার, অ্যালেক্স হেলস, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল, শ্রীলঙ্কার দিলশান, কুশল পেরেরারা।

দেশে ফিরে এসেছেন সাকিব : আঙুলের পুরনো চোটে নতুন করে ব্যথা বাড়ায় এশিয়া কাপ শেষ হয়ে গেছে সাকিব আল হাসানের। বুধবার রাতে দেশে ফিরে এসেছেন টাইগারদের বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার। বুধবার আবু ধাবিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারেননি সাকিব। সতীর্থরা যখন মাঠে পরীক্ষা দিচ্ছেন, সাকিবকে চড়ে বসতে হয় বিমানে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় নেমেছেন রাত ১১টা ২০মিনিটে। বাংলাদেশ মাঠে লড়ছে এগিয়ে থেকেই। তবে টাইগাররা যদি এই ম্যাচ জিতে ফাইনালে যায়, শিরোপার মঞ্চেও পাওয়া যাবে না সাকিবকে। গত জানুয়ারি থেকেই চোট বয়ে বেড়াচ্ছেন সাকিব। ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পাওয়া চোট নিয়ে খেলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে।

সিরিজ শেষে দেশে ফিরে আঙুলে অস্ত্রোপচার করাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এশিয়া কাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে তাকে প্রয়োজন, এমন ভাবনা থেকে ঝুঁকি নিয়ে খেলতে যান আরব আমিরাতে। দলের প্রয়োজনে এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম চার ম্যাচেই খেলেছেন। কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে গত সোমবারের ম্যাচের পর আঙুলে ব্যথা বাড়তে থাকে সাকিবের। ব্যথায় বাঁ-হাতের চোট পাওয়া আঙুলটি এতটাই ফুলে গেছে যে ঠিকমত ব্যাট ধরতে পারছিলেন না। বাধ্য হয়ে দেশে ফিরে এলেন সাকিব।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১