বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আগের সবগুলো নির্বাচনের ফল জড়ো করেন। সেখানে দেখেন অতীতে কারা কারা প্রার্থী হয়েছিলেন, কোনো দল কত ভোট পেয়েছিল।
দক্ষিণাঞ্চলের এক সাংসদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সাংসদদের সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচনে জয়ী হওয়া যাবে না। তিনি সাংসদদের উদ্দেশ করে আরও বলেন, জনগণ আপনাদের অনেক দিয়েছেন। এবার তাদের কিছু দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবেই নির্বাচনে জিততে পারবেন। এলাকার সাংসদের অবস্থান কী, দলের অবস্থান কী, সবই তাঁর জানা আছে। জনগণের সঙ্গে যাদের সম্পর্ক নেই তাদের খবরও তাঁর কাছে আছে। এসব সাংসদ যদি বর্তমান সরকারের বাকি মেয়াদে জনগণের কাছাকাছি যেতে ব্যর্থ হন, তবে আগামী নির্বাচনের তাঁরা দলীয় মনোনয়ন পাবেন না।
সাংসদেরা আরও বলেন, সম্প্রতি কানাডার ফেডারেল আদালতে বিএনপিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ উল্লেখ করে বের হওয়া রায়ের বিষয়টি জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রচারের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে এবং পদ্মাসেতুর বিষয়ে সরকারের নৈতিক জয় ও বিশ্বব্যাংকের নৈতিক পরাজয়সহ সরকারের অন্যান্য উন্নয়নের বিষয়গুলো তুলে ধরতে হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, হাছান মাহমুদ, শামীম ওসমান, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।