আকাশবার্তা ডেস্ক :
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের ৪টি সংসদীয় আসনে মহাজোট মনোনীত প্রার্থীরা বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। রোববার রাতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন, জেলা রিটার্ণিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল। দুই একটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া জেলার সবকটি আসনেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
জেলা রিটার্ণিং কর্মকর্তার ঘোষণা মতে, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে মহাজোটের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৯২ ভোট। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে রফিকুল ইসলাম ২ হাজার ৮০৯ ভোট পান।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শহীদ ইসলাম পাপুল আপেল প্রতীকে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৫ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে শাহজাহান পাটোয়ারী পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮৮।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ কে এম শাহজাহান কামাল নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪৯২ ভোট। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ ইব্রাহিম ৪ হাজার ৯৪ ভোট পেয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে মহাজোট মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অবঃ) আব্দুল মান্নান ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আ স ম আবদুর রব পেয়েছেন ৪০ হাজার ৯৭৩ ভোট। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে শফিকুল ইসলাম ৩ হাজার ৬৩৭ ভোট পেয়েছেন এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) তারা প্রতীকে তানিয়া রব পান ১৫৯ ভোট।
জেলা রিটার্ণিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে জেলাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী।