আকাশবার্তা ডেস্ক :
ক্লাব-ক্যাসিনোতে অভিযান শুরুর পর একজনের নাম সব সময় আসছে, তিনি হলেন যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। এছাড়া আওয়ামী লীগসহ যেসব পুলিশ কর্মকর্তা এবং ইঞ্জিনিয়ারদের নাম আসছে তাদের বিষয়ে তো কোনো দৃশ্যমান অ্যাকশন হচ্ছে না।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা এ প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযান শুরু হলো এখনো এক সপ্তাহ হলো না। এক সপ্তাহের মধ্যে সব করতে হবে?
অভিযানে যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তারা কি কম অপরাধী- এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, সবকিছু যাচাই-বাছাই করে করা হচ্ছে। আমি এটা বলতে পারি যে, কেউ পার পাবে না, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। কিছু কিছু বিষয় আছে সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সেসব দেখছেন।
ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের বাইরে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর বার্তা দিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই বার্তায় তিনি বলেছেন, অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, কাউকেই যাতে ছাড় দেয়া না হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, আমি অনুপস্থিত থাকলেও ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছি সেটা যেন ধারাবাহিকভাবে চলে। কাজেই এখানে কোনো আপস অথবা ছাড় দেয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
এ অভিযান জেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, যারা এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। দুর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি এবং মাদকের চক্রকে যতদিন পর্যন্ত ভেঙে না দিতে পারি, ততদিন পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা অপরাধ করবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। মূলত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর।
তিনি আরো বলেন, অনেকে তো গা ঢাকা দিয়েছেন। এদের খুঁজে বের করতে হবে। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। আর যারা নিজেদের আড়াল করে রেখেছেন তাদের খোঁজা হচ্ছে; ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধ করে তারা কোথায় যাবে? ধরা পড়বেই।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কে কি বলল, সেটা বিষয় না। যে অভিযান শুরু হয়েছে সে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আগে পরে কেউই পার পাবে না।