নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পূর্ব বটতলী গ্রামে র্যাবের অভিযানে অবৈধ বৈদেশিক কল (ভিওআইপি) আদান-প্রদানের কাজে ব্যবহৃত ৫০২টি টেলিটক সীমসহ বেশ কিছু যন্ত্রপাতি উদ্ধার করেছে র্যাব। তবে টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যাওয়ায় ওই ব্যবসার পরিচালক রায়হানকে আটক করা যায়নি।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাতে বিটিআরসি ঢাকার শাহবাগ অফিসের সহকারী পরিচালক নেছার আহম্মদ ও লক্ষ্মীপুর র্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক (এএসপি) মো. আবু ছালেহ-এর নেতৃত্বে অভিযুক্ত রায়হানের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
উদ্ধার করা যন্ত্রপাতির মধ্যে আরো আছে সীম রিচার্জ সার্ভার, ২৫৬ পোর্টের ৩২টি জিএসএম অ্যান্টেনা বিশিষ্ট সীমবক্স, ৬৪ পোর্টের ১৬টি জিএসএম অ্যান্টেনার সীমবক্স, রাউটার, একটি ল্যাপটপ ও তিনটি সংযোগ ক্যাবল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন থেকে গ্রামের বাড়িতে বসে অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন প্রবাস ফেরত যুবক নাজমুল হাসান রায়হান। তিনি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পূর্ব বটতলী গ্রামের মো. শেকান্তরের ছেলে। নিজ বাড়িতে লাইসেন্স ব্যতিত টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি স্থাপন ও তরঙ্গ ব্যবহার করে বৈদেশিক কল আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছিলেন তিনি।
র্যাব বলছে, নাজমুল হাসান রায়হান নিজ বাড়িতে লাইসেন্স ব্যতিত টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি স্থাপন ও তরঙ্গ ব্যবহার করে বৈদেশিক কল আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। খবর পেয়ে বিটিআরসি কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে শুক্রবার রাতে অভিযান চালানো হয়। এসময় বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তবে টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যায় অভিযুক্ত নাজমুল হাসান রায়হান।
লক্ষ্মীপুর র্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক (এএসপি) মো. আবু ছালেহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযুক্ত নাজমুল হাসান রায়হানের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।