বুধবার ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ ইং ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান

৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আজ ৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুরে প্রকাশ্যে লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধকালীন সময়ে জেলার ৫টি উপজেলায় ব্যাপক অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণসহ নিরীহ জনসাধারণকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক বাহিনী। লক্ষ্মীপুরের বিভিন্নস্থানে তাদের মোকাবেলায় মুক্তিবাহিনী প্রায় ১৯টি সম্মুখযুদ্ধসহ ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়ে লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধারা।

এসব যুদ্ধে সৈয়দ আবদুল হালীম বাসু, মনছুর আহমদ, আবু ছায়েদসহ ৩৫জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ওই সময়ে রাজাকারদের সহযোগিতা নিয়ে পাকহানাদার বাহিনী আরো জানা-অজানা কয়েক হাজার নারী-পুরুষকে হত্যা করে।

৭১ সালের রনাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজ্জাকুল হায়দার জানান, লক্ষ্মীপুর জেলা কীভাবে পাক হানাদার মুক্ত হয়।

তারা জানান, সে সময়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ধরে এনে মাদাম ব্রীজের উপর থেকে গুলি করে নারী-পুরুষসহ অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়। জ্বালিয়ে দেয়া হয় মুক্তিকামী হাজারো মানুষের ঘরবাড়ি। পরে ৪ ডিসেম্বর প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হায়দার চৌধুরী ও সুবেদার প্রয়াত আবদুল মতিনের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা একত্রিত হন। বিভক্ত হয়ে দালাল বাজার, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি, শাখারী পাড়ার মিঠানীয়া খালপাড়সহ বাগবাড়িস্থ রাজাকার ক্যাম্পে হামলা চালান এসব মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় ৭০-৮০ জন পাকিস্তানী মেলিটারী ও রাজাকারকে আটক করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেন তারা। ওই দিনই হানাদার মুক্ত হয় লক্ষ্মীপুর। উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা।

যুদ্ধকালিন সময়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞের আজও নীরব সাক্ষী হয়ে আছে শহরের মাদাম ব্রীজ, বাগবাড়িস্থ গণকবর, সারের গোডাউনে পরিত্যাক্ত টর্চারসেল, বধ্যভূমি, পেয়ারাপুর ব্রীজ, বাসুবাজার গণকবর।
১৯৭১ সালের এ দিনে পাক বাহিনীদের পরাজিত করে লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১