বুধবার ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার

বঙ্গবন্ধুর বন্ধু রাজাকারের তালিকায় ১ নম্বরে, ‘বিচার চাই’!

আকাশবার্তা ডেস্ক :

মজিবুল হক নয়া ভাই। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। জাতির পিতার সঙ্গে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনাও করেছেন। এমনকি বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে থেকেছেন মজিবুল হক।

এসময় তিনি মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ গঠন থেকে শুরু করে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত পাথরঘাটা সংগঠনের সভাপতি ছিলেন। পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের টানা ৪০ বছর সভাপতিও ছিলেন। এছাড়া ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন।

এরপরও সদ্য প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় নাম এসেছে তার। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারে তালিকা প্রকাশ করা হয়। আর এই তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা মজিবুল হকের নাম আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর পাথরঘাটার প্রত্যন্ত গ্রামে নয়া ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় ও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। আশ্রয় নিয়েছেন মুক্তিকামী মানুষও। স্বাধীনতার স্বপক্ষের সংগঠক ও মুক্তিকামী মানুষ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতাকারী মজিবুল হক নয়া ভাইয়ের নাম সদ্য প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় আসায় ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরাও।

এ বিষয়ে মজিবুল হকের স্ত্রী নুরজাহান বেগম বলেন, বিদায়ের বেলায় দেখতে হলো আমার স্বামীর নাম রাজাকারের তালিকায়, তাও আবার ১ নম্বরে। এখন কবর থেকে তুলে আমার স্বামীর বিচার করতে হবে?

তিনি বলেন, আমার স্বামী ২০০৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর মারা গেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। সংগ্রাম পরিষদ পরিচালনা করেছেন। যুদ্ধের সময় আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিকামী মানুষের ভরণ-পোষণ দিয়েছেন। আজ সেই মানুষটা কি করে রাজাকার হয়? এর বিচার হবে? এর বিচার করবেন শেখ হাসিনা?

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমার স্বামীর কাঁধে হাত দিয়ে হাঁটতেন। শেখ হাসিনা আমার স্বামীর পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতেন। দূরে বসলে তাকে কাছে টেনে বসাতেন শেখ হাসিনা। সেই মানুষটা কি করে রাজাকার হলো, তা আমি জানতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি এর বিচার চাই।

বরগুনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবদুল মোতালেব মৃধা বলেন, মারা যাওয়ার এতো বছর পর আবার ষড়যন্ত্রের শিকার হলেন মজিবুল হক নয়া ভাই। তিনি কখনও রাজাকার ছিলেন না। ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ও বন্ধু। ছিলেন স্বাধীনতার সংগঠক।

এ বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, মজিবুল হক নয়া ভাই রাজাকার ছিলেন না। রাজাকারের তালিকায় কিভাবে উনার নাম এলো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০