আকাশবার্তা ডেস্ক :
পার্টির কাউন্সিলের অর্পিত দায়িত্ব ও ক্ষমতাবলে সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করার স্বার্থে পুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদসহ ১৬ জনকে পদোন্নতি দিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক (চিফ পেট্রন) বেগম রওশন এরশাদ।
সম্প্রতি জাতীয় পার্টির প্যাডে রওশন এরশাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই মনোনয়ন ও সাংগঠনিক নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে।
পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে দুইজনকে কো-চেয়ারম্যান এবং ১০ জনকে প্রেসিডিয়াম সদস্য, দুইজনকে ভাইস চেয়ারম্যান এবং দুইজনকে যুগ্ম মহাসচিব করা হয়েছে।
নতুন করে কো-চেয়ারম্যান হলেন রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ এমপি ও আলহাজ এম এ সাত্তার।
নতুন করে প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেন-অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, অধ্যাপক মো. ইকবাল হোসেন রাজু, নূরে হাসনা লিপি চৌধুরী, অধ্যাপক রওশন আরা মান্নান এমপি, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, কাজী মামুন, মাহজাবিন মুর্শেদ, নুরুল ইসলাম নুরু, নুরুল ইসলাম ওমর, আরিফুর রহমান খান।
এছাড়া পদোন্নতি পেয়ে ভাইস-চেয়ারম্যানরা হলেন আমানত হোসেন আমানত ও মো. ইয়াহিয়া।
যুগ্ম-মহাসচিবরা পদে পদোন্নতি পেয়েছেন-মো. জসিম উদ্দীন ভূইয়া ও রেজাউল করিম।
এ বিষয়ে রওশন এরশাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দলে যাদের ত্যাগ ও শ্রম রয়েছে, তাদের নতুন কমিটিতে যথাযথ সম্মান দেয়া হয়নি। তাই চিফ প্যাট্রন হিসেবে আমি বাদ পড়া নেতাদের মূল্যায়ন করেছি।’
রওশন বলেন, ‘এম এ সাত্তার শুরু থেকে দলে আছেন। তিনি অনেক সিনিয়র। তাকে কো-চেয়ারম্যান করেছি। প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন খান দলের দুঃসময়ের নেতা। তিনি এরশাদকে মুক্ত করার আন্দোলনে জেল খেটেছেন। তাকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে। এভাবে যারা বাদ পড়েছেন, নতুন কমিটিতে তাদের বিভিন্ন পদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সবাই মিলে যাতে দলকে শক্তিশালী করতে পারি সেজন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’
জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘আমরা রওশন এরশাদের এমন কোনও চিঠি পাইনি। তাই এ বিষয়ে কোনও কথা বলতে পারবো না।’