শনিবার ২৮শে মার্চ, ২০২৬ ইং ১৪ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধীর গতিতে এগুচ্ছে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম, অনলাইনে শোরগোল

আকাশবার্তা ডেস্ক :

ধীর গতিতে এগুচ্ছে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম। আগারগাও গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, ভিন্ন চিত্র। অনেকেই এসেছেন ই-পাসপোর্ট এর আবেদন করতে। তবে ব্যর্থ হয়ে এখন পুরোনো মেশিন রিড্যাবল পাসপোর্ট (এমআরপি) করতেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন।

মূলত অবকাঠামোগত স্বল্পতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা নিয়ে শুরুতেই ধীর গতিতে এগুচ্ছে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম। তবে অনলাইন আবেদনে ব্যাপক সাড়া মিলছে আগ্রহীদের, এমনটা জানা গেছে পাসপোর্ট সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।

তবে তথ্যের ঘাটতি থাকায় পাসপোর্ট অফিসে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে অনেককে। আর আবেদনের পর বায়োমেট্রিক পদ্ধতি শেষ করতে পেরে খুশি বহু আবেদনকারী।

এদিকে ২২ জানুয়ারি থেকে প্রথম ৬ দিনে ই-পাসপোর্টরে জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ৬ হাজার প্রার্থী। নতুন পদ্ধতি, অবকাঠামোগত ঘাটতি ও নিরাপত্তা বিবেচনায় ধীরগতি অবলম্বন করা হচ্ছে। এসব আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক করতে মার্চ মাস পার হতে পারে।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ বলেন, নতুন মেশিন যেহেতু পুরা সময়টা স্থিতিশীল পর্যায়ে আসার জন্য কিছুটা সময় বেশি লাগবে। যেহেতু এমআরপি আর ই-পাসপোর্ট পাশাপাশি চলমান সেহেতু দুটোর মধ্যে একটা সমতা আনার চেষ্টা করছি।

ই-পাসপোর্ট ডট গভ ডট বিডি সাইটে ফরম পূরণের পর নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে ব্যাংকে। এমআরপির টাকা যেসব ব্যাংকে দেয়া যেতো ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও ওই ব্যাংকই প্রযোজ্য। ফি দেয়া যাবে অনলাইনেও। পরে কর্তৃপক্ষের দেয়া তারিখে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট শেষ করতে হবে। ৪৮ ও ৬৪ পাতার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি, অতি জরুরি ভেদে ফির তারতম্য রয়েছে।

নির্ধারিত তারিখের আগেই বায়োমেট্রিক করতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকে। আবার কারো জরুরি প্রয়োজন থাকায় ই-পাসপোর্টের আবেদন করেও ফিরতে হচ্ছে এমআরপিতে।

ই-পাসপোর্ট করতে আসা একজন বলেন, ই-পাসপোর্টের টাকা জমা দিয়েছি। কিন্তু ই-পাসপোর্ট হচ্ছে না তাই এমআরপিতে করতে এসেছি।

এরই মধ্যে ই-পাসপোর্ট যাত্রীদের জন্য শাহজালাল বিমানমন্দরে ৯টি ই-গেট বসানো হয়েছে। যার মাধ্যমে ৪০ শতাংশ কাজ সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক তৌহিদ উল আহসান বলেন, গেইটগুলো পুরাপুরিই রেডি। শুধু ইমিগ্রেশনের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশন করতে হবে সেটা বাকি আছে। সেটা করলেই এ গেইটগুলো অপারেশনাল হয়ে যাবে।

দৈনিক ১০০ জনের বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হচ্ছে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে। প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে খুশি পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা।

ই-পাসপোর্টের জন্য আসা একজন বলেন, অত্যন্ত সুন্দরভাবে ই-পাসপোর্টের প্রসেসগুলো সম্পন্ন করেছি। এতে আমার কোনো বেগ পেতে হয়নি। অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গেই আমার সব কার্যক্রম শেষ করতে পেরেছি।

এদিকে ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর সবার জন্য উম্মুক্ত করা হয় ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১