আকাশবার্তা ডেস্ক :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কড়া নির্দেশ, ডোপ টেস্ট ছাড়া কেউ যেন সরকারি চাকরিতে ঢুকতে করতে না পারে। তাই মাদক সেবন করলে কেউ সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করতে পারবে না।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাকা আহসানিয়া মিশনের মাদক বিরোধী কার্যক্রমের ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ কিন্তু আর আগের মতো খোলা জায়গায় ধূমপান করেন না। তাদের মধ্যে একজনের সচেতনতাবোধ তৈরি হয়েছে। এই সচেতনতাবোধ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। আর তরুণদের উদ্দেশে বলছি, মাদক সেবন করে সরকারি চাকরি হবে না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী যেমন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন তেমন মাদকের বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স নীতি দিয়েছেন। কেননা এই মাদক থেকে যুবসমাজ ও তরুণদের রক্ষা করতে না পারলে আমাদের যে লক্ষ্য ২০৪১, সেটা পূরণ হবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মাদক উৎপাদন করি না, তবু আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। কিন্তু এভাবে চলতে পারে না। আমরা সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করছি। তামাককে যেভাবে আমরা নির্মূল করতে পেরেছি, মাদককেও পারব।’
তিনি জানান, দেশের কারাগারে ৪৬ হাজার ধারণ ক্ষমতার বিপরীতে কয়েদি আছেন ৮৮ হাজার। এর মধ্যে ২৫ হাজারের বেশি মাদক মামলার আসামি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ এখন আর আগের মতো খোলা জায়গায় ধূমপান করেন না। তাদের মধ্যে একজনের সচেতনতাবোধ তৈরি হয়েছে। এই সচেতনতাবোধ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।
আহসানিয়া মিশনে অনেক নারীই সংশোধনের জন্য ভর্তি রয়েছেন। মেয়েরা মাদকাসক্তে জড়িয়ে পড়লে গোপন না করে সংশোধনের জন্য তাদের সংশোধনাগারে ভর্তি করে দেয়ার কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর সরকারি চাকরিতে যোগ দেয়ার আগে ডোপ টেস্ট (মাদক পরীক্ষা) বাধ্যতামূলক করা হয়। এই ডোপ টেস্টে মুখের লালা পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ সাত দিন, রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ দুই মাস, চুল পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ ১২ মাস এবং স্প্যাইনাল ফ্লুইড পরীক্ষার মাধ্যমে গত পাঁচ বছরের মধ্যে কেউ মাদক গ্রহণ করলেও তা পরীক্ষায় ধরা পড়বে।