নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আঞ্চলিক মহাসড়কে নারী-শিশুসহ ৫ জন এবং রায়পুরে এক শিশুছাত্রীসহ একদিনেই ৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এবং সন্ধ্যার পর পৃথক দুর্ঘটনায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সকালে রায়পুর-লক্ষ্মীপুর সড়কের সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ফাহিমা আক্তার জুঁই (১০) রাস্তা পারাপারের সময় ট্রাকচাপায় নিহত হয়। নিহত জুঁই উপজেলার সোনাপুর এলাকার মো. জসিম উদ্দিনের মেয়ে।
সন্ধ্যার পরে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কের বটতলি এলাকায় প্রাডো প্রাইভেট কারের সাথে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রথমে সিএনজি চালকসহ ৪জন, পরে আরো ১জনসহ ৫ জন নিহত হয়।
নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় জানা গেছে। এরা হলেন- নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার গুমতলী গ্রামের ঘোষের বাড়ির মিজানুর রহমানের স্ত্রী রুনু আক্তার (৪৫), তাদের ছেলে মিরাজ (৭), অটোরিকশা চালক লক্ষ্মীপুর সদরের উত্তর মজুপুর এলাকার কালু মিয়ার ছেলে সুমন (২৭) এবং চাটখিলের খিলপাড়া গ্রামের মিলনের ছেলে মীর হোসেন (৭)।
আহত রুবি আক্তারকে (৩৪) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রুবি আক্তার মীর হোসেনের মা।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়। এতে অটোরিকশাটি ধুমড়েমুচড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৩ জন মারা যান। হাসপাতালে নিলে আরও একজন নিহত হন। দুর্ঘটনায় আরও দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নোয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেও একজন মারা যায়।
দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে রাস্তার একপাশে সড়ক আগে থেকে ধেবে ছিল। এতে ধেবে যাওয়া অংশ ক্রসিং করে সিএনজি ডানে চেপে যাওয়ার সময় প্রাডো কারের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তিনি বলেন, মূলক রাস্তা ক্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।