আকাশবার্তা ডেস্ক :
দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সরকারের ইচ্ছা ছাড়া কোনোদিন মুক্তি পাবেন না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদ।
শুক্রবার (৬ মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত ‘নাগরিক অধিকার, ন্যায় বিচার এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং জাসাসের সহ সভাপতি জাহেদুল আলম হিটোর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, রিজভীর স্ত্রী আনজুমান আরা আইভিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মওদুদ আহমদ বলেন, এখন বিকল্প হলো আন্দোলন, আমি বিশ্বাস করি আন্দোলন হবে। কারণ, বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র প্রিয়, স্বাধীনতা প্রিয়। আজকে সকল গণতান্ত্রিক, দেশপ্রেমিক, রাজনীতিক ও সামাজিক শক্তি সমুহকে ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। সরকার যদি ইচ্ছা করেন তাহলে আদালত খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়ে দিবে। কারণ, আদালত এখন আর স্বাধীন নাই। সরকারের ইচ্ছা ছাড়া খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না।
মওদুদ আহমদ বলেন, রিজভী আহমেদ আর এই দল (বিএনপি) একেবারে সম্পূর্ণভাবে মিশে গেছে, তার রক্তের ধরণীতে। শত অত্যাচার, জেল-জুলুম, নির্যাতন, নিপীড়নের মধ্যেও মাঝে মাঝে আমরা রিজভীকে দেখি রাস্তায় নেমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য মিছিল করছে। কিন্তু আজ আমরা অনেককেই দেখি না। যাদের এটি করার কথা তাদেরকে দেখি না। রিজভী কতদিক সামলাবে?
মওদুদ আহমদ বলেন, এই পার্টি (বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়) অফিস, পার্টি অফিস মানেই হলো দল। রিজভী আহমেদ আর এই দল একেবারে সম্পূর্ণভাবে মিশে গেছে, তার রক্তের ধরণীতে।
আর শত অত্যাচার, জেল-জুলুম, নির্যাতন, নিপীড়নের মধ্যেও মাঝে মাঝে আমরা রিজভীকে দেখি রাস্তায় নেমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য মিছিল করছে। কিন্তু আজ আমরা অনেককেই দেখি না। যাদের এটা করার কথা তাদেরকে দেখি না। রিজভী কতদিক সামলাবে?
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘এখান থেকে (বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়) থেকে দলকে পাহারা দিচ্ছে। আবার রাস্তায় নেমে মিছিল করেছে। সুতরাং সময়ের স্বরলিপি লেখার জন্য তাকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই।’
রিজভীর ত্যাগ এবং অবদান বিএনপির কোনো নেতা কোনোদিন ভুলে যাবে না বলেও মন্তব্য করেন মওদুদ আহমদ।
পিরোজপুরের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপ্রতি এসকে সিনহা চলে যাওয়ার পর গত ১১ ডিসেম্বর যে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে সে গেজেট অনুযায়ী বিচারবিভাগকে, নিম্ন আদালতকে প্রশাসনের অধীনস্ত করা হয়েছে। একেবারে লিখিতভাবে আইন করে। এখন নিম্ন আদালত প্রশাসনের অধীনে অথার্ৎ রাজনীতিক ইচ্ছায় চলে।