আকাশবার্তা ডেস্ক :
আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় একটি দলকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এনামুর রহমান এ কথা জানিয়েছেন। তবে এ সপ্তাহের কোন দিন কিংবা এ দফায় কতজন রোহিঙ্গাকে সেখানে স্থানান্তর করা হচ্ছে, সে সংখ্যা তিনি জানাননি।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের আরেকটি দল ভাসানচরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিষয়টির নেতৃত্ব দিচ্ছে।
তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় এক হাজার শরণার্থীকে ভাসানচরে নেয়া হবে।
রোববার (২৭ ডিসেম্বর) কক্সবাজারে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দলটি যাবে তারা স্বেচ্ছায় যাচ্ছেন।
শরণার্থীদের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুদ দৌজা বলেন, স্থানান্তর স্বেচ্ছায় হবে। তাদেরকে জোর করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্থানান্তর করা হবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, তাদেরকে আগে চট্টগ্রাম নেয়া হবে, তারপর সেখান থেকে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে ভাসানচর নেয়া হবে।
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বরের ১,৬৪৫ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়।
২০১৭ সালের অগাস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নিপীড়নের মুখে দেশটি থেকে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। ওই বছরের নভেম্বর মাসে কক্সবাজার থেকে এক লক্ষ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে একটি প্রকল্প নেয় সরকার।
আশ্রয়ণ-৩ নামে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে।