আকাশবার্তা ডেস্ক :
ঈদের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায় যখন পরিবারের সবাই মিলে উৎযাপন করা হয়। তাইতো শত ভোগান্তি উপেক্ষা করে পরিবারের সাথে ঈদ উৎযাপনের জন্য দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে।
বুধবার (১২ মে) ভোর থেকেই গন্তব্যের উদ্দেশে শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় এসে জড়ো হচ্ছেন হাজার হাজার যাত্রীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ভিড় যেন আরও বাড়ছে। অনেকটাই জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে এই ভিড়।
এসব ঘরমুখী যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়। এই অনুমতির পর শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখী মানুষের চাপ আরও বেড়েছে।
সরেজমিন ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, জনস্রোত সামলাতে শিমুলিয়া ঘাটে বসানো হয়ছে চেকপোস্ট। দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যরা। তারপরও মানুষের ঢল থেমে নেই।
সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করারও তাদের যুক্তির কমতি নেই। তাদের সবার লক্ষ্য, যেভাবে হোক বাড়ি যেতে হবে। ফেরিঘাটের আশপাশে থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই জেলে নৌকাসহ ট্রলারে যাত্রীরা পদ্মা পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। এই মুহুর্তে যে ফেরিতে উঠতে পারছে সেই যেন সবার থেকে সুখী, নেই করোনার ভয়, নেই কোনো প্রাণের ঝুঁকি।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ফেরিঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ১৬টি ফেরির মধ্যে ১৩টি চলছে। তবে ঘাট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে পণ্যবাহী ৪ শতাধিক গাড়ি। কোনোভাবেই জনস্রোত ঠেকানো যাচ্ছে না। স্বাস্থ্যবিধির কিছুই মানা হচ্ছে না।’