আকাশবার্তা ডেস্ক :
র্যাবের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেনকে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
২০২২ সালের নববর্ষ উপলক্ষে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দেন ড. আব্দুল মোমেন। চিঠিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চিঠিতে সন্ত্রাস, জঙ্গী, মাদক বিরোধী কর্মকাণ্ডে র্যাবের ভূমিকাও তুলে ধরেন ড. আব্দুল মোমেন।
রোববার (২ জানুয়ারি) একটি বিশ্বস্তসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রেক্ষিতে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারকে তলবও করা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, র্যাবের সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধজ্ঞা দুঃখজনক। ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি নিজেও বিষয়টি নিয়ে অবাক।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি যুক্তরাষ্ট্র বুঝতে পারবে র্যাবের বিষয়ে তাদের ধারণা সঠিক নয়। তবে বিষয়টি রাতারাতি পরিবর্তন হবে তা আমি আশা করি না।’
র্যাবকে একটি ‘কার্যকরী সংস্থা’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংস্থাটি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয়।এমনকি মার্কিন সরকার পর্যন্ত বলেছে, বাংলাদেশে সন্ত্রাস, মাদক ও মানবপাচার রোধে সহায়তা করেছে
তিনি বলেন, র্যাবের কয়েকজন সদস্য যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছিলেন তাদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যখন পুলিশের হাতে কেউ মারা যায় তখন তাকে বলা হয় ‘বিচারবহির্ভূত হত্যা’ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে এটি ঘটলে বলা হয় ‘দায়িত্ব পালনের সময়’ মারা গেছে। আর এ জন্য কোনো সংস্থার প্রধানকে শাস্তি দেয়া হয় না।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বলছে গত ১০ বছরে বাংলাদেশে ৬০০ মানুষ নিখোঁজ হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর এক লাখ মানুষ নিখোঁজ হয়। তাই এটি বড় কোনো বিষয় নয় তাদের জন্য। কিন্তু একই জিনিস বাংলাদেশে ঘটলে তারা বলে এনফোর্স ডিসএপ্যায়েরিং।