সোমবার ২৭শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৪ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল

প্রথমবার গভীর সমুদ্রে জাহাজ থেকে তেল খালাস শুরু

আকাশবার্তা ডেস্ক :

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ গভীর সমুদ্রে জাহাজ থেকে পাইপলাইনে তেল খালাস শুরু হয়েছে। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন (এসপিএম) প্রকল্পের আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে রবিবার দুপুরে সৌদি আরব থেকে আনা ৮২ হাজার মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়।

আগামী আগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসপিএম প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল জানান, গভীর সমুদ্রে জাহাজ থেকে পাইপলাইনে তেল খালাসের যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। উন্নত অনেক দেশও এই প্রক্রিয়ায় তেল খালাস করতে পারেনি। পরীক্ষামূলকভাবে এটা শুরু করা হয়েছে। আশা করছি এই প্রক্রিয়া কাজে লাগবে।

তিনি জানান, সৌদি আরব থেকে ৮২ হাজার মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল নিয়ে একটি জাহাজ বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে অবস্থান নেয়। ১১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন দিয়ে জাহাজ থেকে ওই তেল আসবে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারীতে। ৮ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের কারণে তেল খালাসে সিস্টেম লস ও খরচ কমার পাশাপাশি সময়ও বাঁচবে। আগে ২৫ দিন লাগতো। এখন মাত্র দুইদিনেই তেল খালাস হবে।

জানা গেছে, একমাত্র রাষ্ট্রয়াত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করতে সক্ষম। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন (এসপিএম) প্রকল্প ইস্টার্ণ রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট। এটি চালু হলে জ্বালানি তেলের পরিশোধন ক্ষমতা ৪৫ লাখ টনে উন্নীত হবে। ২০১৫ সালে পাইপলাইন বসানোর প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। ৪ হাজার ৯৩৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকায় ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা থাকলেও শেষ হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ তিনবার বাড়ানো হয়। এর সঙ্গে ব্যয়ও বেড়ে ৭ হাজার ১২৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। এই বাজেটের মধ্যে চীন সরকার ৪ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।

এছাড়া বিপিসি ১ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার ৬০১ কোটি টাকা এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দ দিয়েছে। প্রকল্পের অধীনে এক সেট এসপিএম-পিএলইএম, একটি ভাসমান বয়া, ২২০ কিলোমিটার পাইপলাইন, এর মধ্যে ১৪৬ কিলোমিটার সাগরের তলদেশ দিয়ে এবং ৭৪ কিলোমিটার পাইপলাইন উপকূল দিয়ে, ২ লাখ ৮৮ হাজার ঘনমিটারের ছয়টি স্টোরেজ ট্যাংক, তিনটি ব্লক ভাল্ব স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পের আওতায় সৌদি আরব থেকে আসা ৮২ হাজার মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল পরীক্ষামূলক খালাস কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে গভীর সমুদ্র থেকে পাইপলাইনে তেল খালাসের কাজ শুরু হয়েছে।

এ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে গভীর সমুদ্রে থাকা জাহাজ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পাইপলাইনে মহেশখালীর স্টোরেজ ট্যাংকে তেল নেয়া হবে। পাইপলাইন কমিশনিং করার পর সেখানে থাকা হেজ, সার্কিট বাল্ব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর স্টোরেজ থেকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারি পর্যন্ত পাইপলাইন কমিশনিং করা হবে। প্রথমে ক্রড অয়েল ও পরে ডিজেলের পাইপলাইন কমিশনিং করা হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০