বৃহস্পতিবার ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

বিমান দেখলে ভয়ে ‘বোমা’ বলে চিৎকার করে যে শিশুরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :


সিরিয়ার যে শিশুরা যুদ্ধের কারণে তুরস্কে পালিয়ে এসেছে – তাদের অনেকের পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয়েছে তুরস্কের শিশুদের সাথে একই স্কুলে।ইউরোপিয় ইউনিয়নের অর্থায়নে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া শিশুদের পড়াশোনা করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ২০১৬ সালে এই প্রকল্প শুরু হয়েছে, এখন সেখানে প্রায় তিন লক্ষ ৫০ হাজার শিশু এখন পড়াশোনা করছে।

তুরস্কের গাজিয়ানটেপে অবস্থিত এমনি একটি স্কুলের নাম সারায়িলান স্কুল। এতে পড়াশোনা করছে এমন কিছু শিশু – যারা দুই দেশের নাগরিক।কিছু রয়েছে তুরস্কের, কিছু সিরিয়ার। একই বয়স তাদের, স্কুলের ড্রেসও একই রকম। একটা শ্রেণীকক্ষ, যেটা সব বাধা -বিপত্তির ঊর্ধ্বে।

এই স্কুলের একজন শিক্ষক মোহাম্মদ আলি চিনার বলছিলেন, “সিরিয়ার এই শিশুদের মধ্যে এখনো এতটাই ভীতি কাজ করে যে একদিন আমরা খেলা করার জন্য তাদের বাইরে নিয়ে গেলাম। তখন একটা বিমান যাচ্ছিল। তারা ভয়ে সবাই চিৎকার করে বলে উঠলো ‘ঐ দেখো – বোমা’।”

“যদি সিরিয়ান শরণার্থীদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয় তখন তারা তুরস্কের মধ্যেই একটা নিজেদের জগত তৈরি করবে যেখানে তুরস্কের অস্তিত্ব থাকবে না। তারা এখানকার কাউকে চিনবে না, এখানকার নিয়মকানুন সম্পর্কেও জানবে না” – বলছিলেন শিক্ষক মোহাম্মদ আলি চিনার।

তুরস্ক থেকে আসা আরিফ বলছে তার কাছে খুব ভালো লাগে বন্ধু তৈরি করতে।তার মতে সিরিয়া এবং তুরস্কের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।সিরিয়া থেকে আসা আয়ি বলছে “আমি এখানে এসে শিখেছি কিভাবে ভালো ব্যবহার করতে হয়। আমি পড়তেও শিখেছি। আমার অসম্ভব ভালো লাগে”।

সিরিয়াতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তুরস্ক ৩৫ লক্ষ সিরিয়ার নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছে। তাদেরকে বেশ ভালোভাবেই স্বাগত জানিয়েছে দেশটি।সিরিয়া থেকে পালিয়ে আসা পরিবারগুলোর শিশুদেরকে তুরস্কের স্কুলেই পড়াশোনার সুযোগ করে দিতে স্কুল নির্মাণ করা হয়েছে ইউরোপিয় ইউনিয়নের অর্থে । এখানেই এই শিশুরা একে অপরকে চেনা-জানার সুযোগ পাচ্ছে।তবে কিছু কিছু এলাকা সংরক্ষিত। সেখানে সিরিয়া এবং তুরস্কের নাগরিকরা খুব একটা মেলামেশা করতে পারে না।

এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা গত বছরে তিন গুণ বেড়ে গেছে। যার ফলে ৩৫ জন নিহত হয়েছে।তাদের যে আরো এক হওয়া দরকার সেটা পরিষ্কার।এসব স্কুলে সিরিয়ার শিশুরা তুরস্কের ভাষাই শিখছে। তবে তারা অন্যান্য ক্লাসেও যোগ দিতে পারে। মিশ্র এই স্কুলগুলোর লক্ষ্য হল পূর্বের সব ধ্যান-ধারণা পাল্টে দেয়া।

সিরিয়ান শিশুদের একটা প্রজন্ম যারা যুদ্ধের মধ্যে জন্ম নিয়েছে তারা তুরস্ককেই এখন নিজেদের বাড়ী বলে পরিচয় দেয়।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১