সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

“শুধু বিরহের গান গাই, একটু সাহায্য চাই’’

আলী হোসেন, লক্ষ্মীপুর :


পথে পথে ঘুরে ঘুরে বিরহের গান শোনানোই তাঁর পেশা। হাতে হারমোনিয়াম, কাঁধে রাখা একটি পুটলীতে কাঁথা-বালিশ আর মশারী। যেখানে রাত, সেখানেই কাত। এমনই এক পথশিল্পীর সাথে দেখা হলো মঙ্গলবার বিকালে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে। হারমোনিয়ামে লিখে রেখেছেন- শুধু বিরহের গান শোনাই, একটু সাহায্য চাই। এই পথশিল্পীর নাম-দিলীপ কুমার বাছাল। বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়। বয়স প্রায় ৫৫, আছেন স্ত্রী, সন্তানও। এক ছেলে, দুই মেয়ে। বড় মেয়ে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন।

কথা বলতে বলতে ভারতীয় শিল্পী সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া হৃদয় ছোঁয়া একটি বিরহের গান শোনালেন, গানটির প্রথম দুটি লাইন তুলে ধরা হলো :
মরমিয়া তুমি চলে গেলে দরদী আমার কোথা পাবো, কারে আমি এ ব্যাথা জানাবো। কে বল আর শুনবে এ গান, রাঙিয়ে দেবে আমার এ প্রাণ। শিউলি ফুলের মালা গেঁথে কারে পরাবো……..? কারে আমি এ ব্যাথা জানাবো।

ছবি তুলতে আপত্তি করেননি। তবে পরে যখন জানলেন আমি একজন সংবাদ কর্মী। তখন বললেন, ভাই পত্রিকায় ছবি দিয়েন না। বললাম কেন? উত্তরে বললেন, বড় মেয়েটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েতো। তার সহপাঠীরা দেখলে মেয়েটি শরম পাবে। আমি বললাম শরম পাবে কেন? আপনি একজন শিল্পী। চুরি তো করেন না। আপনি দেখেননি ফেসবুকে রিক্সাচালকের ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করে গায়ের গ্রাউনটি রিক্সাচালক বাবার গায়ে পরিয়ে দিলেন। ছবিটি সারাদেশে ভাইরাল হয়েছে। এটা তো গর্বের। এরপর আর কিছু বলেননি।

এরপর জানালেন, গান শুনে মানুষ যা সাহায্য করেন তা হাসি মুখে গ্রহণ করেন। এতে তাঁর দৈনিক ৪শ’ থেকে কখনও কখনও ৬-৭শ’ টাকা রোজগার হয়। তা’ দিয়ে তাঁর সংসার কোনমতে চলে যায়। তবে রাষ্ট্রিয় পৃষ্টপোষকতা পেলে তিনিও একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী হতে পারতেন বলে আক্ষেপ করলেন। বললাম শুধু বিরহের গান শোনান কেন? বললেন, বিরহের গান গাইতে তাঁর ভালো লাগে। মানুষ নাকী বিরহের গান শুনতেই বেশি পছন্দ করেন। কারণ, প্রত্যেক মানুষের জীবনে নাকী কোনো না কোনো দুঃখ থাকে।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন : 

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930