বুধবার ১০ই জুন, ২০২৬ ইং ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

নৌরুট : লক্ষ্মীপুরের ফেরিঘাট পরিবর্তন চেয়ে মন্ত্রণালয়ে ভোলা জেলা প্রশাসকের আবেদন

আকাশবার্তা ডেস্ক :

নাব্যতা সংকটের কারণে বিভিন্ন সময়ে ফেরি আটকে চরম উদ্বিগ্ন আর উৎকন্ঠায় পড়তে হয় ভোলা-লক্ষ্মীপুর (মজুচৌধুরীহাট) নৌ-পথে চলাচলকারী ফেরি ও যাত্রীদের। তাছাড়া জোয়ারের জন্য অনেক সময় ঘন্টার পর ঘন্টা মাঝ নদীতে যানবাহন ও যাত্রীবাহী ফেরিকে অপেক্ষা করতে হয়। বছরের বেশিরভাগ সময়ে ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে এমন চিত্র দেখা যায়।

ফলে প্রায় বন্ধ হতে যাওয়া দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ রুটটি সচল রাখতে ও সময় বাঁচাতে এ রুটের লক্ষ্মীপুর অংশের ফেরিঘাটটি লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীরহাট ঘাট থেকে পরিবর্তন করে কমলনগর উপজেলার মতিরহাটে স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ চেয়ে ভোলা জেলাবাসীর পক্ষ থেকে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক। গত ১০ জুলাই তারিখে তিনি এ আবেদন করেন।

ওই আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘ভোলা’’ জেলা একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। ভোলার দুই লাখ মানুষ নানা প্রয়োজনে চট্টগ্রামে অবস্থান করেন। তাদের চট্টগ্রাম যাওয়ার একমাত্র পথ ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথ। এছাড়া ভোলা জেলার মালবাহী ট্রাক এবং দেশের প্রায় ২১টি জেলার মালবাহী ট্রাকসমূহ বরিশাল হয়ে এ রুট দিয়ে চট্টগ্রামে যাওয়া আসা করে। এ পথে যাওয়ার একমাত্র বাহন সী-ট্রাক এবং ফেরি। ভোলার ইলিশা ঘাট থেকে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীহাট ঘাট পর্যন্ত মাত্র ১-২টি ফেরি চলাচল করে। উক্ত ফেরিতে সময় লেগে যায় ৩-৪ ঘন্টা।

এ ছাড়া জনসাধারণের চলাচলের জন্য প্রতিদিন একটি সী-ট্রাক এবং বে-ক্রসিং সনদপ্রাপ্ত দু’টি লঞ্চ আসা যাওয়া করে। বছরের অন্যান্য সময়ে বে-ক্রসিং সনদবিহীন লঞ্চসমূহ এ রুটে চলাচল করে। কিন্তু ১৫ মার্চ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত নদী খুবই উত্তাল থাকে। এ সময়ে সী-ট্রাক বা বে-ক্রসিং সনদপ্রাপ্ত লঞ্চ ছাড়া জনসাধারণ চলাচল করতে পারে না।

লক্ষ্মীপুরের ফেরিঘাটটি মজুচৌধুরীহাটে হওয়ার কারণে ফেরি লক্ষ্মীপুরের পৌঁছার পরেও নাব্যতার কারণে আরো প্রায় ১ ঘন্টা সময় বেশি লাগে। কিন্ত শুকনোর সময় ফেরি আটকে ৫-৬ ঘন্টা সময়ও লেগে যায়।

আবেদনের শেষাংশে ভোলার জেলা প্রশাসক বলেন, মজুচৌধুরীহাট ঘাটের পরিবর্তে মতিরহাটে ফেরিঘাটটি স্থানান্তর করা হলে ১ ঘন্টা সময় কম লাগবে এবং মাঝ নদীতে ফেরি আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম হবে। তিনি লক্ষ্মীপুরের ফেরিঘাটটি কমলনগর উপজেলার মতিরহাটে স্থানান্তরসহ এ নৌ-রুটের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য অনুরোধ জানান।

স্থানীয়ভাবে জানা যায়, মতিরহাটে ফেরিঘাট স্থাপনের দাবি দীর্ঘ দিনের। চর কালকিনির প্যানেল চেয়ারম্যান ও মতিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান লিটন বলেন, মতিরহাট থেকে মজুচৌধুরীহাট ঘাট পর্যন্ত যেতে সময় লাগে এক ঘন্টা। কোন কোন সময় ফেরি আটকে গেলেতো আরো ভোগান্তিতে পড়তে হয়।’’ তিনি আরো বলেন, শুধু সময়ই নয়, সাথে অতিরিক্ত জ্বালানিও খরচ হয়। তার মতে মতিরহাটে ফেরিঘাট স্থাপনের আরেকটি সুবিধা হলো, এখানে ফেরিঘাট স্থাপন হলে চট্টগ্রামের সাথে ভোলার যাতায়াতের সময় কমে যাবে কমপক্ষে ৩ ঘন্টা। আবার খুব সহজেই চট্টগ্রামে পৌঁছা যাবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেন, এ সমস্যা নিয়ে ডিসি কনফারেন্সেও আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এর কার্যকরি সমাধান বের করা সম্ভব।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০