মঙ্গলবার ২রা জুন, ২০২৬ ইং ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ভালো খেলেও শিরোপা হাতছাড়া বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক :

খুব কাছে গিয়েও শিরোপা জয় করা হলো না বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের। ইমার্জিং কাপের ফাইনালে স্বাগতিকরা ৭৭ রানে হেরেছে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

রোহাইল নাজিরের সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০১ রানের পাহাড় গড়ে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দল। জবাবে ৪৩.৩ ওভারে ২২৪ রানে অলআউট হয়ে যায় নাজমুল হোসেন শান্তরা।

শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ইমার্জিং কাপের ফাইনালে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হয় সকাল ৯টায়। টসে জিতে বোলিংয়ে এসে শুরুটা দুর্দান্ত করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের দলীয় ১৮ রানে ওপেনার ওমর ইউসূফকে সাজঘরে ফেরান সুমন খান। এরপর আরেক ওপেনার হায়দার আলীকে দ্বিতীয় শিকার বানান তিনি।

তবে শুরুর ধাক্কাটা সামাল দেয় নাজির ও ইমরান রফিকের ব্যাট। দুজনে গড়েন ১১৭ রানের জুটি। দলীয় ১৫৮ ও ব্যক্তিগত ৬২ রানে মাহাদী হাসানের বলে ইমরান ফিরলেও সেঞ্চুরি তুলে নেন নাজির। ১১১ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় ১১৩ রান করে পাকিস্তানের এই উইকেটরক্ষক এলবিডব্লিউ’র শিকার হোন হাসান মাহমুদের বলে।

ইনিংসের শেষদিকে অধিনায়ক সৌদ শাকিল ৪২ রান করেন, আর খুশদিল শাহ করেন ২৭ রান। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৩০১ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।

বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ৭৫ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন সুমন। হাসানের শিকার ২টি।

৩০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৩ রানে সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। সাজঘরে ফেরার আগে ৬ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ঝড়ো ১৫ রানের ইনিংস খেলেন জাতীয় দলের এই ব্যাটসম্যান। এরপর অধিনায়ক শান্তকে নিয়ে বিপদটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি।

ধীর-সুস্থির গতিতে ব্যাট করতে থাকা শান্ত ও ইয়াসির আলী দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু দুজনের ৫১ রানের জুটি ভাঙেন বাট। ২২ রানে ফেরেন ইয়াসির। এরপর দলীয় ১১৯ রানে ও ব্যক্তিগত ৪৬ রানে শান্ত আউট হলে শিরোপা জয়ের স্বপ্নটা ধুলিসাৎ হতে বসে।

তবে আফিফ হোসেন চেষ্টা করেছিলেন দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার। বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার খেলছিলেনও দুর্দান্ত। কিন্তু জাকির হাসান ও মাহমুদুল ইসলাম অংকন দ্রুত বিদায় নিলে ফের বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ১৯৫ রানে ফিফটি বঞ্চিত হয়ে বিদায় নেন আফিফও। তার ৫৩ বলে ৪৯ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৪ চার ও ১ ছক্কায়।

পরাজয়ের মুখে একলা লড়াই করেন মেহেদী হাসান। কিন্তু তার ব্যাট থেকে ৪২ রান এলেও শেষের দুই ব্যাটসম্যান সুমন ও হাসান দ্রুত সাজঘরে ফিরলে ২২৪ রানে থমকে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন তানভীর ইসলাম।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ হাসনাইন। দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেছেন খুশদিল ও সাইফ বদর। পাকিস্তানকে শিরোপা এনে দিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন রোহাইল নাজির।

ফাইনালে ব্যর্থ হলেও পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ হয়েছেন সৌম্য সরকার। এর আগে সেমিফাইনালে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে ৭ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। আর ভারতকে ৩ রানে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে পাকিস্তানের যুবারা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০