সর্বশেষ:
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া

লক্ষ্মীপুরে ৩১ বছর পর জমি ফিরে পেয়েছে মালিক

আকাশবার্তা ডেস্ক :

দীর্ঘ ৩১ বছর আইনি লড়াই চালিয়ে লক্ষ্মীপুর শহরে ১৮ শতাংশ জমি ফিরে পেয়েছে জমির প্রকৃত মালিক। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে বৃহস্পতিবার (০৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে পুলিশের সহযোগীতায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে ওই জমিতে অভিযান চালানো হয়।

এসময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত ছিলো। আদালতের রায়ে জমির প্রকৃত মালিক জেলা শহরের দক্ষিণ তেমুহনী এলাকার মাহমুদ হোসেন নামে এক ব্যক্তি। তিনি বিএডিসির সাবেক ব্যবস্থাপক (খামার)। গোরাঙ্গ চন্দ্র নামে এক ব্যক্তি ও তার ওয়ারিশগণ দীর্ঘ সময় ধরে জমিটি অবৈধভাবে তাদের দখলে রেখেছেন।

জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার দক্ষিণ তেমুহনীর ৭৫ নং সমসেরাবাদ মৌজার জিলা জরিপি ৩৫৪ নং খতিয়ান ও এমআর ৩৪১ নং এর জমা খারিজ খতিয়ান নং ৭৪১, ৭৪২, ২২৯৮, ও ১৮১৭ অধীন ১০৮০ দাগে ১৮ শতাংশ জমির মালিক মকছুদুর রহমান নামে এক ব্যক্তি।

তিনি একজন সরকারী চাকুরীজীবি ছিলেন। ১৯৮৮ সালে পৌরসভার অনুমতি নিয়ে ওই জমিতে ব্যাণিজ্যিক ইমারত নির্মাণ করতে গেলে রাতের আঁধারে জমিটি জোরপূর্বক নিজেদের দাবি করে দখল করে নেয় গোরাঙ্গ চন্দ্র নামে আরেক ব্যক্তি।

১৯৯০ সালে মকছুদুর রহমান মারা গেলে তার ছেলে মাহমুদ হোসেন বন্টক ও উচ্ছেদের জন্য আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। সহকারী জজ আদালতে (রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর) ওই মামলার রায় হয় ১৯৯৭ সালের ২৫ জুন। রায়ে গোরাঙ্গ চন্দ্রকে অবৈধ দখলদার হিসেবে উল্লেখ করে বাদিকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়।

কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে আপিল করে বিবাদী পক্ষ। ২০০১ সালে সেটিও খারিজ হয়ে যায়। ২০০২ সালে বিবাদী উচ্চ আদালতে গেলে ২০০৮ সালে সেটিও খারিজ হয়। এভাবে পর পর ১২ টি মামলায় হেরে যায় বিবাদী পক্ষ।

জমির মালিক মাহমুদ হোসেন বলেন, ৩১ বছরে ১২টি মামলার রায় বিজ্ঞ আদালত আমার পক্ষে দেয়। বর্তমানে চুড়ান্ত জারিকৃত ডিক্রি অনুযায়ী উচ্ছেদ ও খাস দখলের জন্য গেল ১৯ সেপ্টেম্বর মূল কোর্ট সহকারী জজ আদালতে (রামগঞ্জ/লক্ষ্মীপুর) পিটিশন দাখিল করি। এর পরিপেক্ষিতে বৃহস্পতিবার অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930