রবিবার ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

মিন্নি-নয়নের বিয়ের রহস্য উন্মোচন করলেন কাজি

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের কাজী মো. আনিচুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) একই দিনে আদালতে আরো সাক্ষ্য দিয়েছেন এ মামলার অপর দুই সাক্ষী মো. কামাল হোসেন এবং মিনারা বেগম।

এ নিয়ে এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিরুদ্ধে ২৯ জনের সাক্ষীগ্রহণ সম্পন্ন করেছেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।

এ বিষয় রিফাত হত্যা মামলার বাদী পক্ষের মনোনীত আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু সাংবাদিকদের জানান, কাজী আনিসুর রহমান সাক্ষীতে আদালতে বলেছেন, ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিবাহ আমি সম্পন্ন করি। ওইদিন নয়ন বন্ডের কিছু বন্ধু আমাকে নয়ন বন্ডের বাসায় নিয়ে যায়। তখন নয়ন বন্ডের বাসায় নয়ন বন্ডের মা এবং মিন্নিসহ অনেক লোক উপস্থিত ছিলো। নয়ন বন্ডের বাসায় বসেই পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিবাহ হয়।

বিয়ে সম্পন্ন করার পর আমি যখন জানতে পারি মিন্নি বরগুনা পৌরসভার আবু সালেহ কমিশনারের ভাইয়ের মেয়ে, তখন আমি সালেহ কমিশনারকে আমার মোবাইল দিয়ে কল দিয়ে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের খবর তাকে জানাই। তখন তিনি আমাকে বিয়ের কথা গোপন রাখতে বলেন। এরপর মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরও আমাকে ফোন করে বিবাহের বিষয়টি গোপন রাখতে অনুরোধ করেন।

আইনজীবী কিসলু আরো বলেন, এরপর কাজী আনিসুর রহমান জানতে পারেন রিফাত শরীফের সাথে মিন্নির ফের বিবাহ হয়েছে। রিফাত শরীফের সাথে মিন্নির বিয়ের পরের দিন মিন্নির বাবা কাজীকে ফোনে বলেন, মিন্নি ও নয়ন বন্ড কাল তার কাছে যাবে। আপনি ওদের ডিভোর্স করিয়ে দিয়েন। কিন্তু মিন্নির বাবার কথা অনুযায়ী ওইদিন তারা কাজীর কাছে আসেনি। এর পরের দিনও ফোন করে কাজীকে একই কথা বলেন মিন্নির বাবা কিশোর। কিন্তু তার পরের দিনও ডিভোর্সের জন্য মিন্নি ও নয়ন বন্ড কাজীর কাছে না আসলে কাজী এবার মিন্নির বাবাকে ফোন দেন। তখন মিন্নির বাবা কাজীকে বলেন, ওরা দুজনে কমিটমেন্ট করেছে, ওদের বিয়ের কথা ওরা কাউকে জানাবে না। গোপন রাখবে।

সাক্ষ্যপ্রদানের সময় মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের কাজী মো. আনিসুর রহমান আদালতে তার বিবাহ রেজিস্টার বালাম উপস্থাপন করেছেন বলে জানান আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু।

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হত্যাকাণ্ড ঘটে। গত ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক; দু’ভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনও পলাতক। পাশাপাশি রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি এবং মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ছয়জন আসামি জামিনে রয়েছেন। বাকীরা কারাগারে।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনার শিশু আদালত।

রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন, রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০