সর্বশেষ:
সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট

আমানীলক্ষ্মীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে জাল সনদে চাকুরির অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের আমানীলক্ষ্মীপুর বেগম হামিদা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী গ্রন্থাগারিক হিসেবে কর্মরত শাহানাজ বেগমের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকুরীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুয়া সনদ দিয়ে চাকুরী করে সরকারি টাকা আত্মসাতকারী শাহানাজ বেগমের চাকুরীচ্যুতি এবং বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, এলাকার সচেতন মহল।

রোববার (২৩ এপ্রিল) সকালে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে স্থানীয় একটি পত্রিকা অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় এলাকাবাসীর পক্ষে চৌধুরী ইসরাত জাহান লিখিত বক্তব্যে বলেন, চাটখিল উপজেলার দক্ষিণ দেলিয়াই গ্রামের আফজাল মিয়ার বাড়ির আমির হোসেনের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বিগত ২০১১ সালের ৪ মে তারিখে আমানীলক্ষ্মীপুর বেগম হামিদা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ লাভ করেন। এ সময় তিনি অন্যান্য চাকুরী প্রার্থীদের থেকে কম নাম্বার পেলেও প্রধান শিক্ষক আল কামাল মাহমুদের সুপারিশে তার চাকুরী নিশ্চিত হয়। তিনি চাকুরীতে যোগদানের সময় জামায়াত নেতাদের পরিচালিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সনদ জমা দিয়েছেন তা পরবর্তীতে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে।
সনদটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত হওয়ার বিষয়টি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক গত ১১ এপ্রিল ২০১৭ইং তারিখে দাইবি/প্রশা/২০১৭/৬৯ স্মারকের মাধ্যমে শাহানাজ বেগমকে নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে চৌধুরী ইসরাত জাহান আরো বলেন, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ইং তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমন্ডি ক্যাম্পাসটি অবৈধ ও সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। এরপরও ১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ইং তারিখে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কীভাবে সনদটি প্রদান করেছে। অবশ্য পরবর্তীতে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেরাই এ সনদটি ভুয়া বলে স্বীকার করে। এরপরও কীভাবে সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে শাহানাজ বেগম চাকুরী করে প্রতিমাসে সরকারের হাজার হাজার টাকা আত্মসাত করছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়।
চৌধুুরী ইসরাত জাহান বলেন, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকুরী ও সরকারি টাকা আত্মসাতের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালে শিক্ষিকা ও তার লোকজন আমাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন।

শনিবার মাননীয় এমপির স্বাক্ষরিত কাগজ নিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠালে সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম তা রিসিভ না করে উল্টো অভিযোগদাতা ও এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পুলিশে দেওয়ার হুমকি দেন।

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আল কামাল মাহমুদের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিদ্যালয়ের সভাপতি এমপি মহোদয় বলেছেন তদন্ত করে উনাকে জানাতে। সহসায় আমরা বিষয়টির তদন্ত শুরু করবো।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

August 2026
S S M T W T F
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031