রবিবার ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

ইলিশের কেজি মাত্র ৬০০ টাকা

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :

বাজারে ইলিশের কমতি নেই। প্রতিদিন মাছঘাটে গড়ে অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ মণ ইলিশ আসছে। গত ১০ বছরেও ডিসেম্বরের শেষ ও জানুয়ারিতে এত বেশি ইলিশ ধরা পড়েনি।

কারণ শীতের মৌসুমে উপকূলে সাধারণত ইলিশ মাছ তেমন পাওয়া যায় না। প্রচলিত এই ধারণা দীর্ঘদিনের। তবে এবার যেন তার ব্যতিক্রম ঘটিয়ে বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে ইলিশের দেখা পাওয়া যাচ্ছে।

বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রচুর বড়, মাঝারি ও ছোট ইলিশ। দামও মৌসুমের চেয়ে বেশ কম। অধিকাংশ ইলিশই এক কেজি ওজনের, যার দাম কেজি মাত্র ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। এর চেয়ে ছোট আকারের বা বড় আকারের ইলিশ ১০০ থেকে ২০০ টাকা কম-বেশিতে কেনা-বেচা হচ্ছে।

মাঝারি ইলিশ প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকার কাছাকাছি, ওজন হবে আধা কেজির মধ্যে। আর বড় ইলিশ প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার কাছাকাছি। ওজন হবে এক কেজির মধ্যে। অথচ মৌসুমে এক কেজি আকারের ইলিশ ক্রয় করতে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা গুণতে হয়েছে।

জানা যায়, ইলিশ সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। কিন্তু চলতি বছর ভরা মৌসুমেও ছোট ও মাঝারি ইলিশ খুব বেশি ধরা পড়েনি। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষকে ইলিশ বঞ্চিত থাকতে হয়েছে। অসময় হলেও তাদের সাধ পূরণের সময় এসেছে জানুয়ারির মাঝামাঝিতে।

রায়পুর উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে সংরক্ষণের নানা ব্যবস্থার কারণে ইলিশ সুষম হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ এখন সারা বছরই কমবেশি মাছ মিলছে।

তাদের মতে, বছরের কোনো কোনো সময় তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও জলদস্যুতার কারণে ধরতে না পারলে ইলিশের সরবরাহ কমবেশি হতে পারে। তবে সার্বিকভাবে পুরো বছরই এ মাছ পাওয়া যাবে বলে দাবি করেন কর্মকর্তারা।

চরবংশী আলতাফ মাস্টার মাছঘাটের ইলিশ ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন, এ সময় অন্য বছর কোনো ইলিশই দেখা যেত না। কিন্তু এবারই ব্যতিক্রম। তাই শীতকালেও বেশ কিছুদিন ধরেই এখানে প্রচুর ইলিশ আসছে।

এই মাছঘাটে ইলিশের কমতি নেই। প্রতিদিন গড়ে অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ মণ ইলিশ আসছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ইলিশই এক কেজি ওজনের, যার দাম কেজি মাত্র ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। এর চেয়ে ছোট আকারের বা বড় আকারের ইলিশ ১০০ থেকে ২০০ টাকা কম-বেশিতে কেনা-বেচা হচ্ছে। স্থানীয় ক্রেতাদের ইলিশের চাহিদা মিটিয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ সারা দেশের বাজারগুলোতে এই ইলিশ যাচ্ছে।

রায়পুর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকাসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে নদী ও সাগরে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে।

এছাড়াও মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম দেয়ায় জেলেদের জালে বেশি ইলিশ ধরা পড়ছে। এখন সারা বছরই ইলিশ ধরা পড়বে নদী ও সাগরে। সরকারের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে প্রতিবছর উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০