রবিবার ৩১শে মে, ২০২৬ ইং ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

‘মসজিদ লকডাউনের আওতায় আনা উচিত’

ইসলাম ডেস্ক :

জামেয়া রাহমানিয়া দারুল ইসলামের প্রিন্সিপাল ও বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের খতিব মুফতি ওযায়ের আমীন বলেন, বাংলাদেশের মসজিদসমূহ লকডাউনের আওতায় আনা উচিত। প্রতিকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকার এর দায় এড়াতে পারবে না।

বর্তমানে মক্কা মদিনাসহ সারা বিশ্বের প্রায় সব মসজিদ লকডাউনের আওতায়। ইমাম মোয়াজ্জেন খাদেমসহ সীমিত কয়েকজন জামাত কায়েম করেন। সব মুসল্লী নিজ নিজ গৃহে নামাজ পড়ছেন। এমতাবস্থায় কেবল বাংলাদেশ ব্যতিক্রম। মসজিদে মুসল্লী বৃদ্ধি পেয়েছে। যা করোনাভাইরাস বিস্তারে সহায়ক মনে করা হচ্ছে।

প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এর দায় কার? কেউ বলছেন, এর দায় ইমামদের। ইমামগণ তাদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য মুসল্লীদের ভীর জমাচ্ছেন। ইমামগণ ধর্মীয় জ্ঞানে বিশেষজ্ঞ হলেও সমকালিন বিষয়ে অজ্ঞ। তাই তারা লকডাউনেও মসজিদে লোকসমাগম করাচ্ছেন।

ইমামগণ বলেন, আমরা মুসল্লিগণকে মসজিদে না এসে নামাজ বাসাবাড়িতে পড়ার জন্য যতই বলছি ততোই উল্টো ফলাফল প্রকাশ পাচ্ছে। ফাকা হয়ে দাঁড়াতে বললে তারা আরো মিলেমিশে দাঁড়ায়। বরং ক্ষেত্রবিশেষ উল্টো মন্তব্য করে, ইমাম সাহেবের আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল কম। এছাড়া মসজিদ কমিটি শাসিত। কমিটির যত জন তত মত। ইমামের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের ভাবে মনে হচ্ছে, ওলামায়ে কেরামের অনুমোদনেরর অভাবে সরকার মসজিদকে লকডাউনের আওতায় আনতে পারছেন না। আসলে বাস্তবতা কী? দেশের কোন সিদ্ধান্তটা ওলামায়ে কেরামের অনুমোদনের জন্য পরে থাকে? আমরা তো দেখি ওলামায়ে কেরামের বিরোধিতার পরও অনেক সিদ্ধান্ত সরকার নিয়ে থাকেন।

যেখানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলে দিয়েছে মসজিদে সীমিত আকারে সংক্ষিপ্তভাবে জামাত চলবে। সাধারন মুসল্লিগণ নিজ গৃহে নামাজ পড়বেন। কিন্তু সীমিতকরণের সুস্পষ্ট কোন ব্যখ্যা নেই। যার কারণে সীমিতকরণের অনুরোধ জানানোর পর মসজিদে মৌসমী মুসল্লীর সংখ্যা আরো বাড়ছে। সীমিত হচ্ছে না কেন? এ ব্যপারে ফাউন্ডেশনের বক্তব্য কি? অথবা এর জন্য সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেন?

সৌদি আরব সহ সাড়া বিশ্বের মসজিদসমূহে সাধারণের গমনে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যেসব দেশে মসজিদকে লক ডাউন করা হয়েছে সেখানেকি ইমামদের পক্ষ থেকে হয়েছে? নাকি সরকারের পক্ষ থেকে হয়েছে? অবস্যই সরকারের পক্ষ থেকে হয়েছে। তাহলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইমামদের কেন দায় হবে? সরকার কেন সিদ্ধান্ত নিবে না? কোন অবস্থায় সরকার এর দায় এড়াতে পারবে না।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও যুগসচেতন ওলামাদের সমন্বয়ে বোর্ড গঠন করুন। করোনা ভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের পূর্বে যথাযথসিদ্ধান্ত নিন, বাস্তবায়ন করুন। সচেতন ইমাম ও মুসল্লি সমাজ আবেগমুক্ত ন্যায় সঙ্গত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১