রবিবার ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

সেমাই দুধ-চিনি-মাংস কেনার ধুম

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :

পবিত্র ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে সেমাই দুধ চিনি পোলাও’র চাল ও মাছ-মাংস কেনার ধুম পড়েছে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারগুলোতে।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই নগরবাসী প্রয়োজনীয় ঈদ পণ্যসামগ্রী কেনাকাটার জন্য কাঁচাবাজারে যাচ্ছেন। ঈদ সামনে রেখে নিত্যপণ্যের চাহিদা বাড়ায় বেশকিছু পণ্যের দাম বেড়ে গেছে।

চাহিদা বাড়ায় দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি, আদা, রসুন, পেঁয়াজ ও আলুর দাম। তবে কমেছে ছোলা ও মশুর ডালের দাম।

এছাড়া, চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও আটার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আর একদিন পরই উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

এ কারণে বাজারে শুরু হয়েছে ঈদকেন্দ্রিক বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য কেনাকাটা। বিশেষ করে পোলাও’র চাল, সেমাই, চিনি দুধ ও সব ধরনের মসলা কেনাকাটার ধুম পড়েছে।

শনিবার রাজধানীর কাওরান বাজার, কাপ্তান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, খিলগাঁও সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, মালিবাগ কাঁচাবাজার থেকে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য জানা গেছে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পোলাও চাল বিক্রি হয়েছে মানভেদে ৯৫-১১৫ টাকা। এছাড়া ২০০ গ্রামের প্যাকেটজাত সেমাই বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকা- যা গতবছর বিক্রি হয়েছে ৩০-৩৫ টাকায়। খোলা চিকন সেমাই প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা।

খোলা লাচ্ছা সেমাই প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকা- যা গত বছর রোজার ঈদে বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকায়। আর প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৬০-৬৫ টাকা।

বাজারে প্যাকেটজাত প্রতি লিটার গরুর দুধ বিক্রি হয়েছে ৭০-৭৫ টাকা। আর মানভেদে খোলা গরুর দুধ প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা।

এছাড়া দেশী আদা বিক্রি হয়েছে ১৮০-২২০ টাকা- যা একদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ১৬০-১৮০ টাকা। আমদানি করা আদা বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৮০ টাকা- যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৫০ টাকা। প্রতি কেজি লবঙ্গ সর্বনিম্ন বিক্রি হয়েছে ১০০০ টাকায়- যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৯৮০ টাকা।

প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৫ টাকা। প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকা।

এছাড়া প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৭০-১৮০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ১৪৫-১৬০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদ সামনে রেখে নিত্যপণ্যের চাহিদা বাড়ায় বেশকিছু পণ্যের দাম বেড়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে কাপ্তান বাজারের জামশেদ স্টোরের ম্যানেজার আবদুল গনি মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদ সামনে রেখে আরেক দফা বেড়েছে আদা, রসুন ও পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম। এছাড়া সেমাই ও পোলার চালের দামও কিছুটা বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, এবার ঢাকায় গতবারের তুলনায় বেশি মানুষ ঈদ করছেন। করোনার কারণে অনেকেই গ্রামের বাড়ি যেতে পারেনি। ফলে ঢাকায় বাড়তি পণ্যের চাহিদা তৈরি হয়েছে। এ কারণে ভোগ্যপণ্যের দাম বেশি।

বাজারের মাংস বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের কারণে চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে গরুর মাংস লাইন ধরে কিনে নিচ্ছেন নগরবাসী।

এছাড়া দাম বেশি হলেও খাসির মাংস এখন অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০-৬০০ টাকায়।

আর খাসির মাংস বিক্রি হয়েছে ৮০০ থেকে সর্বোচ্চ ৯০০ টাকা।

ফকিরাপুল বাজার থেকে মাংস কিনছিলেন শাজাহানপুরের বাসিন্দা আকতার হোসেন মজুমদার।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদের জন্যই মূলত গরুর মাংস ও মুরগি কেনা হয়েছে। তিনি বলেন, ৬০০ টাকার নিচে গরুর মাংস কেনা যায় না।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০