রবিবার ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

‘লকডাউনে আমাদের শেষ কইরা দিছে’

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :

প্রতিবছর কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে কামারীদের দোকানগুলোতে থাকে ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রেতাদের মাঝেও থাকে নানা ব্যস্ততা। নতুন নতুন যন্ত্রপাতি তৈরিতে যেখানে ব্যস্ত থাকতো কামারীরা, সেখানে আসছে কুরবানির ঈদে নেই তেমন বাড়তি উত্তেজনা। লকডাউনের কারণে ক্রেতাদের দেখাও নেই আগের মতো। সারাবছরে সবচেয়ে কুরবানির ঈদ আসলেই দেশিয় যন্ত্রপাতি বেশি বিক্রি হয়। সেখানে দা, বটি, ছুরি-চাপাতির বিক্রি কমেছে প্রায় অর্ধেকের বেশি। যেহেতু লকডাউনে মানুষের আয় কমেছে তাই কুরবানি দেয়ার সংখ্যাটাও এবার কমে যাওয়ার আশংকা করছেন  কামারীরা।

সোমবার (১২জুলাই) রাজধানীর কাওরানবাজার এলাকার কামারীদের দোকানগুলোতে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়।

দোকানগুলোতে দেখা যায়, একেকটি বটি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৬০০, ছুরি ৩০-২০০, চাপাতি ৫০০-৬০০, মাংস কাটার কুড়াল ৫০০-১২০০ টাকা পর্যন্ত। তবে একেকটি যন্ত্রে গুনও ওজনের উপর দাম কম বেশি নির্ধারণ হয়ে থাকে। তবে ঠিক বিগত বছর গুলোর মতো আশানুরুপ ক্রেতা নেই বলছেন বিক্রেতারা। তবে অল্প ক্রেতা থাকলেও ক্রেতারা বলছেন বিগত বছর গুলোর চেয়ে এবার খানিকটা দামও বাড়তি। বিগত বছর গুলোতে যেমন ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে ছিল দরকষাকষির প্রতিযোগিতার এ বছর তা যেন নেমে এসেছে শূন্যের কোঠাঁয়।

ক্রেতা আব্দুর রহিম বলেন, লকডাউনের কারনে দা, বটি ছুরির দাম একটু বেড়েছে। ঈদের আগে এমনিতেও দাম কিছুটা বেড়ে যায়। ঈদের সময় ৫০ টাকার ছুরি বিক্রি হয় ১০০ টাকা। বিক্রেতারাও সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। ঈদের সময় দাম কিছুটা বাড়িয়ে দিয়ে সারা বছরের ব্যবসায় টা এখন করে নিতে চায়। যেহেতু বছরে একবার ঈদ আসে সে জন্য আমরা তেমন দরকষাকষি করি না।

বিক্রেতা মো: মিজান বলেন, লকডাউনের কারনে আমাদের বেঁচা-কেনা অনেক কমে গেছে। আগের মতো আর ক্রেতা নাই। আগে ঈদের সময় প্রতিদিন ২০-৩০ হাজার টাকা বিক্রি করতাম আর এখন সারাদিন দোকান খুলে বসে থাকলেও ৪-৫ হাজার টাকার বেশি বিক্রি হয় না। লকডাউনে মানুষ কুরবানি ঠিক মতো দিতে পারব কিনা সেটাই তো জানে না। এই জন্য বিক্রি ও কমে গেছে। এখনো আরো আট দিন বাকি আছে ঈদের। শেষ দিকে হয়তো বেঁচা-কেনা একটু বাড়বে।

আরেক বিক্রেতা মো:সোহাগ বলেন, লকডাউনে আমাদের শেষ কইরা দিছে। সামনে কুরবানির ঈদ আর এখনো তেমন বেচাকেনা নাই। গরুর হাট বসলে কিছুটা বেঁচা-কেনা বাড়তে পারে। আগের মতো আর এখন বিক্রি হয় না। সারাদিন বেঁচলেও এক ‍দুই হাজার টাকা থাকে না এখন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০