বৃহস্পতিবার ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

আগামীকাল দেশে এক কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হবে

আকাশবার্তা ডেস্ক : 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আগামীকাল শনিবার সারা দেশে এক কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গণটিকাদান কর্মসূচিতে জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াই করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেওয়া যাবে। এজন্য সারাদেশের টিকাদান কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন বুলেটিনে অধিদপ্তরের মাতৃ, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচির পরিচালক মো. শামসুল হক জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি বা এর আগে সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেওয়া যাবে, তখন কোনো ধরনের নিবন্ধন বা কাগজপত্র লাগবে না।

শামসুল হক বলেন, গণটিকাদানের জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে তিনটি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্যরা এসব স্থান নির্ধারণ করবেন এবং সেগুলো স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ, স্বাস্থ্যকেন্দ্র হতে পারে। পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনটি করে দল থাকবে। সেদিন নির্ধারিত কেন্দ্রের বাইরেও প্রতি উপজেলায় পাঁচটি, প্রতি জেলায় ২০টি করে ভ্রাম্যমাণ দল থাকবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিটি জোনে ৩০টি, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রতিটি জোনে ৪০টি, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে প্রতিটি জোনে ৬০টি করে এবং খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও রংপুরের প্রতিটি জোনে অতিরিক্ত ২৫টি করে ভ্রাম্যমাণ দল থাকবে। ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলার দলগুলো ৩০০ জন এবং সিটি করপোরেশনের দলগুলো ৫০০ জন করে টিকা দেবে বলে তিনি জানান।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি চলমান টিকা কর্মসূচিতে প্রথম ডোজ টিকা ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে বলে জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সবাইকে আহ্বান করব টিকা নেওয়ার। আমরা সবাইকে টিকা দেব। এরপর থেকে দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত থাকব। তবে সাময়িকভাবে প্রথম ডোজে একটু দৃষ্টিপাত কম থাকলেও কার্যক্রম চলমান থাকবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা বিশেষ এই টিকা কর্মসূচিতে এক কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার টার্গেট নিয়েছি। দরকার হলে দেড় কোটি ডোজ দেব। আমাদের হাতে দশ কোটি ডোজ টিকা আছে। এর আগেও একদিনে ৮০ লাখের বেশি টিকা দিয়েছি। আমাদের সক্ষমতা রয়েছে। সবার সহযোগিতা পেলে আমরা অবশ্যই সফল হব।

এদিকে আজ শুক্রবারও (২৫ ফেব্রুয়ারি) টিকাদান কর্মসূচি চলেছে। এদিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম ডোজের টিকাদান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন খবরে সবাই একযোগে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন টিকাকেন্দ্রে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারাদেশে ১০ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, যা মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের বেশি। তাদের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন আট কোটি ১৭ লাখ মানুষ। আর ৩৫ লাখ ৪৮ হাজারের বেশি মানুষ পেয়েছেন তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ।

গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হয়। দুই মাস পর ৮ এপ্রিল শুরু হয় দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম। আর গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর তৃতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে এক কোটি ডোজ টিকা দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত এক দিনে ৭৬ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। তবে এবার এক দিনে এক কোটি ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০