শুক্রবার ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং ২১শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আমি তোমার আসল বাবা কি না, কে জানে? হ্যারিকে চার্লস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

প্রিন্স হ্যারির আত্মজীবনী নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি এই বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রিন্স হ্যারি তার আত্মজীবনী ‘স্পেয়ার’ এ দাবি করেছেন, তার বাবা রাজা তৃতীয় চার্লস তার পিতৃত্ব নিয়ে ‘তেতো স্বাদের’ কৌতুক করেছিলেন। চার্লস বলেন, এমনকি আমি যে তোমার আসল বাবা কি না, কে জানে? প্রিয় বৎস্য, সম্ভবত তোমার বাবা আসলে ব্রডমুরেই আছেন!’

মানসিকভাবে অসুস্থ এক ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি এমন কৌতুক করেছিলেন। ওই ব্যক্তি নিজেকে প্রিন্স অব ওয়েলস দাবি করতেন।

আত্মজীবনীতে হ্যারি দাবি করেছেন, তার বাবা চার্লস বিশেষ করে মানসিক রোগীদের একটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনের গল্প বলতে পছন্দ করতেন। তিনি সেখানে একজন মানসিক রোগীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি নিজেকে প্রিন্স অব ওয়েলস দাবি করতেন। ওই সময় প্রিন্স অব ওয়েলস ছিলেন চার্লস নিজেই।

বাবার এমন কথাকে ‘তেতো স্বাদের’ কৌতুক হিসেবেই দেখেছেন হ্যারি। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, যে সময় এই কৌতুকটি করা হয়েছিল, তখন মেজর জেমস হিউইট তার আসল বাবা বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল।

হ্যারি লেখেন, ‘তিনি (হ্যারির বাবা) হাসি থামাতে পারছিলেন না। যদিও এটা আমুদিত হওয়ার মতো কোনো কৌতুক ছিল না। কারণ, ঠিক তখনই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল আমার প্রকৃত বাবা আমার মায়ের সাবেক প্রেমিকাদের একজন মেজর জেমস হিউইট।’

হিউইট ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অশ্বারোহী দলের সাবেক কর্মকর্তা ছিলেন। প্রিন্স হ্যারির মায়ের (ডায়ানা) সঙ্গে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পার্টিতে পরিচয়ের সূত্র ধরে ডায়ানাকে ঘোড়ায় চড়া শেখানোর প্রশিক্ষক হন হিউইট।

নিজের ‘প্রিন্সেস ইন লাভ’ বইতে হিউইট বলেছিলেন, দুজনের সম্পর্ক ১৯৮৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর টিকে ছিল। এমনকি চার্লসের স্ত্রী থাকা অবস্থায়ই ডায়ানার সঙ্গে এই প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২৩
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮